Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নির্বাচন কমিশনের ‘পদ্মছাপ’ চিঠি সরাতে সক্রিয় কেরল পুলিশ

নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে ‘পদ্মছাপ’। গত সোমবার থেকে বিতর্কের কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশনের একটি ছ’বছরের পুরানো নথি

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নির্বাচন কমিশনের  ‘পদ্মছাপ’ চিঠি সরাতে সক্রিয় কেরল পুলিশ
  • ২৫ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে ‘পদ্মছাপ’। গত সোমবার থেকে বিতর্কের কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশনের একটি ছ’বছরের পুরানো নথি। সিপিএম, ডিএমকে, কংগ্রেসের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূলও। গতকাল এনিয়ে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। আর মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হতেই নড়েচড়ে বসল কেরল পুলিশ। এক্স কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে তারা এসংক্রান্ত কিছু পোস্ট সরিয়ে নিতে বলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই পোস্টটির মধ্যে দিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ‘নির্লজ্জভাবে অপমান’ করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের পোস্টের ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ হতে পারে। নোটিস পাঠানো হয়েছে সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। চিঠি নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই বিষয়টিকে ‘ক্লারিক্যাল মিসটেক’ বলে দায় ঝেড়ে ফেলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, এই ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে তদন্ত শেষ না করা পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে।

Advertisement

গত সোমবার সবার প্রথমে এক্স হ্যান্ডলে ‘বিতর্কিত’ চিঠিটি পোস্ট করে কেরল সিপিএম। তার পরেই চিঠিটি পোস্ট করেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রচারে উত্তরবঙ্গ যাওয়ার আগে এ নিয়ে কমিশনের সমালোচনায় সরব হন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি একটি জিনিসই প্রমাণ করতে এসেছি যে, এই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বিজেপির দলীয় প্রতীক রয়েছে। কার নির্দেশে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে?’ কমিশনকে নিশানা করে তাঁর তোপ, ‘এখন ঝোলা থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বিজেপির প্রতীক দেখা যাচ্ছে। কমিশন-বিজেপি আঁতাত সবার কাছে স্পষ্ট।’  বিষয়টি নিয়ে সরব হন অভিষেকও। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘ঠিক এই কারণেই বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষকে দুর্বল করা হয়েছে এবং ভারতের প্রধান বিচারপতিকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্বাচন করার প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এভাবেই চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই সুপ্রিম কোর্টের রায়গুলিতেও রাজনৈতিক প্রভাবের ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠবে। যাঁরা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন, তাঁরাই এখন সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে সংবিধানের মূল ভিত্তিকেই ক্ষুণ্ণ করছেন। এটা কর্তব্য ও গণতন্ত্র—উভয়ের সঙ্গেই এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।’ অন্যদিকে, নোটিস পেয়েই এক্স হ্যান্ডলে কেরল পুলিশকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ