নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: এক মাসেরও বেশি সময় ধরে কোচবিহারে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্ব যেভাবে চলছে তাতে দলের নিচুতলার কর্মীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছেন। রবীন্দ্রভবনে দলের বর্ধিত সভায় বর্ষীয়ান নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, প্রাক্তন সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়কে না ডাকার অভিযোগ দিয়ে দলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছিল। এরপর তোর্সা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। নাটাবাড়ি বিধানসভার কর্মিসভায় রবিবাবু ডাক পাননি। ওই কর্মিসভার আগে দলের একাংশ নেতৃত্বের ছবি সম্বলিত পোস্টার ঘিরেও চর্চা হয়েছে। এছাড়াও একাংশ নেতৃত্ব একে অপরকে দুষছেন। সম্প্রতি রবি-পার্থর কাছাকাছি আসাকে কেন্দ্র করেও ব্যাপক চর্চা চলছে। সব মিলিয়ে বছর কয়েক আগে কোচবিহারে তৃণমূল রাজনীতিতে যে চরম গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছিল সেই প্রেক্ষাপটই যেন আবার তৈরি হচ্ছে।
Advertisement
কিন্তু গত পঞ্চায়েত, লোকসভা ও সিতাই বিধানসভা নির্বাচনের আগেও কিন্তু দলের একটা ঐক্যবদ্ধ চেহারা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তার ফলও নির্বাচনে হাতেনাতে পেয়েছিল দল। কিন্তু এখন যেভাবে একাংশ নেতৃত্ব অপর অংশের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলছে, আক্রমণ করছে। তাতে এই পরিস্থিতি সামাল না দিলে অচিরেই তা চরম আকার ধারণ করবে বলে মনে করছে দলেরই একাংশ। যদিও দলের একাংশ শীর্ষ নেতৃত্ব দাবি করেছে, এই পরিস্থিতির উপর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজর রাখছেন।
দলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, একটা আগুন জ্বলেছে। তবে কোচবিহারে ছোট, বড় অনেক নদী রয়েছে। আগুন সেসব পেরতে পারবে না। তবে সমস্যা হলে, দলনেত্রী তাকালেই তা নিভে যাবে।
দলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেন, বিভ্রান্তি যদি কিছু ছড়িয়ে থাকে তাহলে দলের ব্যাটন যাঁদের হাতে দায়ভার তাঁদেরই। যাঁরা প্রকাশ্য জনসভায় উল্টোপাল্টা কথা বলছেন, তাঁদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁদের যদি কিছু বলার থাকে তাহলে সকলে বসে কথা বলে কেন মেটানো হচ্ছে না? তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, আমরা আমাদের পার্টি লাইনেই রয়েছি। জনসংযোগে রয়েছি। দলনেত্রী সব খোঁজই রাখছেন।
দলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, একটা আগুন জ্বলেছে। তবে কোচবিহারে ছোট, বড় অনেক নদী রয়েছে। আগুন সেসব পেরতে পারবে না। তবে সমস্যা হলে, দলনেত্রী তাকালেই তা নিভে যাবে।
দলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেন, বিভ্রান্তি যদি কিছু ছড়িয়ে থাকে তাহলে দলের ব্যাটন যাঁদের হাতে দায়ভার তাঁদেরই। যাঁরা প্রকাশ্য জনসভায় উল্টোপাল্টা কথা বলছেন, তাঁদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁদের যদি কিছু বলার থাকে তাহলে সকলে বসে কথা বলে কেন মেটানো হচ্ছে না? তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, আমরা আমাদের পার্টি লাইনেই রয়েছি। জনসংযোগে রয়েছি। দলনেত্রী সব খোঁজই রাখছেন।



