সংবাদদাতা, কাঁথি: ভগবানপুর থানার পূর্ব রাধাপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাল পুলিস। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিস ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে দেহ তোলা হয়। প্রসঙ্গত গত ২৮ জানুয়ারি শ্বশুরবাড়িতে মারা যান শেখ সাদ্দাম(২৯)। পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামেই শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই থাকতেন সাদ্দাম সাহেব। গত ২৭ জানুয়ারি রাত ১২টা নাগাদ মাথায় আঘাত ও রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে মুগবেড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সেখানে গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে দুই বাড়ির লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সেইসময় শ্বশরবাড়ির লোকজন জানিয়েছিলেন, মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়ে ছটফট করার সময় টিনের দরজায় মাথায় জোরে আঘাত লেগেছিল সাদ্দাম সাহেবের। তাই তাঁরা ময়নাতদন্ত করাতে চাননি। মৃত্যুর পর সাদ্দাম সাহেবের দেহ বাড়ির কাছে কবর দেওয়া হয়। সেখানেও দু’টি পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে প্রথমে কেউ কিছু না বললেও পরবর্তীতে সাদ্দাম সাহেবের মৃত্যু নিয়ে তাঁর বাড়ির লোকজনের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে। সাদ্দাম সাহেবের ভাই শেখ লাল্টু ১ ফেব্রুয়ারি দাদাকে মারধর ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরে খুন করা হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ জানান। পুলিস অভিযোগের ভিত্তিতে গত শনিবার সাদ্দাম সাহেবের স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও শ্যালককে গ্রেপ্তার করে। কাঁথি মহকুমা আদালতের নির্দেশে বর্তমানে শ্বশুর পুলিস হেফাজতে এবং বাকিরা জেল হেফাজতে রয়েছে। যদিও স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পুলিসকে জানিয়েছেন, সাদ্দাম সাহেবের মৃগীরোগ ছিল। ঘটনার দিন রাতে তিনি আচমকা ছটফট করতে থাকেন। সেই সময় টিনের দরজায় মাথায় জোরে আঘাত লাগে। তিনি গুরুতর জখম হন। তদন্তে নেমে দু’পক্ষের কথায় ধন্দে পড়ে পুলিস। এরপর পুলিস বিষয়টি আদালতের নজরে এনে দেহটি ময়নাতদন্ত করার আর্জি জানায়। মহকুমা আদালতের নির্দেশে কবর থেকে দেহ তুলে ময়না তদন্তে পাঠায় পুলিস। থানার ওসি শাহেনশা হক বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
এদিকে প্রথমে কেউ কিছু না বললেও পরবর্তীতে সাদ্দাম সাহেবের মৃত্যু নিয়ে তাঁর বাড়ির লোকজনের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে। সাদ্দাম সাহেবের ভাই শেখ লাল্টু ১ ফেব্রুয়ারি দাদাকে মারধর ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরে খুন করা হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ জানান। পুলিস অভিযোগের ভিত্তিতে গত শনিবার সাদ্দাম সাহেবের স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও শ্যালককে গ্রেপ্তার করে। কাঁথি মহকুমা আদালতের নির্দেশে বর্তমানে শ্বশুর পুলিস হেফাজতে এবং বাকিরা জেল হেফাজতে রয়েছে। যদিও স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পুলিসকে জানিয়েছেন, সাদ্দাম সাহেবের মৃগীরোগ ছিল। ঘটনার দিন রাতে তিনি আচমকা ছটফট করতে থাকেন। সেই সময় টিনের দরজায় মাথায় জোরে আঘাত লাগে। তিনি গুরুতর জখম হন। তদন্তে নেমে দু’পক্ষের কথায় ধন্দে পড়ে পুলিস। এরপর পুলিস বিষয়টি আদালতের নজরে এনে দেহটি ময়নাতদন্ত করার আর্জি জানায়। মহকুমা আদালতের নির্দেশে কবর থেকে দেহ তুলে ময়না তদন্তে পাঠায় পুলিস। থানার ওসি শাহেনশা হক বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে।



