বিশেষ সংবাদদাতা, গুয়াহাটি: মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ব্যাঘ্র দিবসে এই তথ্য সামনে আনল অসমের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান এবং বাঘ সংরক্ষণাগার। জাতীয় উদ্যানের দাবি, মোট ২৭টি বাঘ বেড়েছে। তার ফলে কাজিরাঙার মোট বাঘের সংখ্যা হয়েছে ১৪৮। এর মধ্যে ৫৫টি বাঘ, ৮৩টি বাঘিনি, এবং ১০টি বাঘের লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি, নয়া স্বীকৃতি অর্জন করেছে অসমের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান এবং বাঘ সংরক্ষণাগার। এবার বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ ঘনত্বের বাঘের আবাসস্থলের মান্যতা পেল কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান। হিসেব বলছে, অসমের এই অভয়ারণ্যে প্রতি ১০০ বর্গ কিলোমিটারে ১৮টি বাঘ রয়েছে। প্রথম দু’টি স্থানে রয়েছে বন্দিপুর ও করবেট ন্যাশনাল পার্ক।
২০২৩-২৪ সালে অভয়ারণ্য জুড়ে বসানো উন্নত মানের ক্যামেরা। সেখানেই ধরা পরেছে বাঘের ছবি। যা সঠিকভাবে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণে সাহায্য করেছে। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও বাঘ সংরক্ষণের ফিল্ড ডিরেক্টর সোনালী ঘোষ জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কাজিরাঙায় বাঘের লিঙ্গভিত্তিক পৃথক তথ্য তৈরি করা হয়েছে। ফলে অভয়ারণ্যের বাঘের সংখ্যার আরও সঠিক এবং বিশদ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও বলেছেন, অসমে ডোরাকাটা প্রাণীরা গর্বের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদিকে, বাঘের মৃত্যু সম্পর্কে বিশেষ তথ্য সামনে এনেছে ন্যাশানাল টাইগার কনসারভেশন অথরিটি। দাবি, ২০২১ থেকে ২০২৫-র মধ্যে মোট ৬৬৭টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। ৩৫১টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে অভয়ারণ্যের বাইরে।