


বিশেষ সংবাদদাতা, শ্রীনগর: দিল্লি বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিলাল আহমেদ ওয়ানিকে। ফিরে এসেই গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন কাশ্মীরের ওই ড্রাই ফ্রুট ব্যবসায়ী। সোমবার ভোরে হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর। মৃত ব্যবসায়ী হোয়াইট কলার টেরর মডিউলের সঙ্গে যুক্ত ডাঃ মুজাফ্ফরের প্রতিবেশী। সদ্য বিলাল ও তাঁর ছেলে জাসিরকে টেরর মডিউল মামলার তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিলালকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তাঁর ছেলে এখনও পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। পরিবারের দাবি, আটক ছেলের সঙ্গে বারবার দেখা করতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে অনুমতি না পাওয়ায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন বিলাল। তারপরই রবিবার সকালে কুলগাঁওতে গায়ে আগুন দেন ওই ব্যবসায়ী। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় অনন্তনাগ হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শ্রীনগরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার ভোরে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, ‘আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া উচিত পরিবারকে। এটি ক্ষমতার অপব্যবহার।’