Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাতের শহরে অভিযান কর্ণাটক পুলিশের, আমেরিকার কলেজে ভরতির টোপ দিয়ে ৩৫ লক্ষ টাকার প্রতারণা, গ্রেপ্তার যাদবপুরে

প্লেসমেন্ট এজেন্সি খুলে আমেরিকার নামী কলেজে ভরতি করিয়ে দেওয়ার নাম করে ৩৫ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। জালিয়াতির শিকার হয়েছে কর্ণাটকের এক ছাত্র। সেখানে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে যাদবপুর এলাকা থেকে সায়ন বসু নামে এক অভিযুক্তকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে কর্ণাটক পুলিশ।

রাতের শহরে অভিযান কর্ণাটক পুলিশের, আমেরিকার কলেজে ভরতির টোপ দিয়ে ৩৫ লক্ষ টাকার প্রতারণা, গ্রেপ্তার যাদবপুরে
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্লেসমেন্ট এজেন্সি খুলে আমেরিকার নামী কলেজে ভরতি করিয়ে দেওয়ার নাম করে ৩৫ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। জালিয়াতির শিকার হয়েছে কর্ণাটকের এক ছাত্র। সেখানে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে যাদবপুর এলাকা থেকে সায়ন বসু নামে এক অভিযুক্তকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে কর্ণাটক পুলিশ। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্লেসমেন্ট এজেন্সির তরফে বিভিন্ন জায়গায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বলা হত, আমেরিকা সহ বিদেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের মউ চুক্তি রয়েছে। যে কারণে তাদের মাধ্যমে ভারতীয় ছাত্ররা সহজেই ভরতি হতে পারবেন। কোর্স ফিও কম লাগবে। তা দেখে কর্ণাটকের এক ছাত্র যোগাযোগ করেন। তাঁর কাছ থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতার সমস্ত সার্টিফিকেট নেওয়া হয়। এরপর ওই প্লেসমেন্ট এজেন্সির কর্ণধার সায়ন জানায়, অনায়াসে ভরতি হয়ে যাবে। এরজন্য সে ভুয়ো জিআরই (গ্র্যাজুয়েট রেকর্ড এগজামিনেশন) পরীক্ষার ব্যবস্থা করে। ঘরে বসেই ওই ছাত্র পরীক্ষা দেন। কয়েকদিন পরে তাঁকে জানানো হয়, জিআরই’তে পাশ করেছেন। এবার ভরতি ফি থেকে বিভিন্ন খাতে টাকা জমা করতে হবে।  এরপর ওই ছাত্রের কাছ থেকে দফায় দফায় ৩৫ লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি, তাঁর পাসপোর্টও নেওয়া হয়। কয়েকদিন পর তাঁকে ভিসা করিয়ে দেয় অভিযুক্ত। ওই ছাত্র দূতাবাসে গিয়ে জানতে পারেন, আমেরিকা যাওয়ার কোনও ভিসা তাঁর নামে ইস্যু হয়নি। জাল ভিসা পাঠানো হয়েছে। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনি কর্ণাটকে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ প্রতারণা, জালিয়াতির মামলা রুজু করে।
তদন্তে নেমে কর্ণাটক পুলিশের নজরে আসে, ওই ছাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেছেন। তার সূত্র ধরে জানা যায়, সেই অ্যাকাউন্টটি কলকাতার। জোগাড় করা হয় অভিযুক্তের ফোন নম্বর। টাওয়ার লোকেশন দেখে জানা যায়, সে যাদবপুর এলাকার বাসিন্দা। তারপর কর্ণাটক পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

সম্পর্কিত সংবাদ