নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: পালাবদলের পর পরিকল্পনা মাফিক কামারহাটি পুরসভায় তৈরি করা হয়েছিল নতুন পুরবোর্ড। গত ৩ জুলাই কামারহাটি পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান হয়েছিলেন তৃণমূল সমর্থিত নির্দল কাউন্সিলার সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের দাদা। এরপর গেরুয়া শিবির সহ রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। কিন্তু মঙ্গলবার ১৮ দিনের মাথায় সুশান্তবাবু মহকুমা শাসক ও পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসারকে চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করেছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কামারহাটি পুরসভায় মোট ৩৫ জন কাউন্সিলার ছিলেন। তারমধ্যে তিনজন তৃণমূল সমর্থিত নির্দল। বাকি সবাই ছিলেন ঘাসফুলের। তবে তৃণমূলের দুই কাউন্সিলার আগে মারা গিয়েছেন। পালাবদলের পর গত ১২ জুন চেয়ারম্যান গোপাল সাহা সহ তিন কাউন্সিলার পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর শহরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়। ৩ জুলাই ২৭ জন কাউন্সিলার সর্বসম্মতভাবে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়কে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। পদত্যাগের পর এদিন সুশান্তবাবু বলেন, আমাকে সমর্থন করেছিলেন যে কাউন্সিলাররা, তাঁদের কেসের ভয় দেখানো হচ্ছে। গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় প্রায় ১৫ জন পদত্যাগ করেছেন। প্রশাসন সব দিক থেকে অসহযোগিতা করছে। তাই পদত্যাগ করেছি। তবে এই কয়েক দিনে অস্থায়ী কর্মীদের ভাতা দৈনিক ৫০ টাকা ও মাসিক ২ হাজার টাকা বাড়িয়েছি, মেট্রো কলোনির বাসিন্দাদের জমির মিউটেশন সহ একাধিক কাজ করেছি। মানুষ এর মূল্যায়ন করবেন। বিজেপি নেতা অরূপ চৌধুরী বলেন, চোরেদের সার্কাস নিয়ে আমাদের কোনো উৎসাহ নেই।