নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘সাসপেন্ড’ হলেও বিদ্রোহী তৃণমূলীদের আক্রমণে রাশ টানতে নারাজ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার কক্ষে ঢুকতে না পারলেও শুক্রবার সংসদ চত্বরে গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখান শ্রীরামপুরের সাংসদ। বৃহস্পতিবার সুদীপ-কাকলিদের সমালোচনা করে কল্যাণ বলেন, ‘সংসদে বিজেপির সঙ্গে ২০ জন গদ্দার রয়েছেন।’ সংসদের মকর দ্বারের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সময় বিজেপির সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি। বিজেপির নাম জড়িয়ে বিক্ষোভে আপত্তি তোলেন ওড়িশার বিজেপি সাংসদ রুদ্রনারায়ণ পানি। তৃণমূলকে ‘দুর্নীতিপরায়ণ’ বলে পালটা স্লোগান দেন তিনি।
তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলেও রাজ্য রাজনীতিতে তাঁদের কী অবস্থান হবে, তা এখনও স্পষ্ট করতে পারেননি বিদ্রোহী ২০ সাংসদ। নতুন দল ‘এনসিপিআই’ বলে নিজেদের চিহ্নিত করলেও সংসদের খাতায় এখনও তার স্বীকৃতি দেননি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সেই কারণে নিজেদের অবস্থান বুঝে নিতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে মরিয়া সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা। সূত্রের খবর, শুক্রবার কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাংলো ৯ মোতিলাল নেহরু মার্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন বাংলায় প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে ককরোচ পার্টি। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য ছাড়তে নারাজ শুভেন্দু। সেই কারণে ওই বৈঠক বাতিল হয়ে যায়। যদিও বিদ্রোহী তৃণমূলীদের সরাসরি বিজেপিতে যোগদানের কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গিয়েছে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘২০ জন তৃণমূল সাংসদের বিজেপিতে যোগদানের কোনো খবর আমার কাছে নেই।’