


বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: ১৮ ফুট উঁচু কালীপ্রতিমা এবার দেখা যাবে ফলতার ফতেপুর শ্মশানকালী পুজো কমিটির মণ্ডপে। দিল্লির একটি বহুতল বিল্ডিংয়ের আদলে প্যান্ডেল হচ্ছে। ২৪ বছরে পা দিল এই পুজো। পুজো কমিটির সম্পাদক উত্তম বাগ বলেন, একসময় এই স্থানে শ্মশান ছিল। এখন ভাগবৎ পাঠ মাঠ বলে পরিচিত। তবে শ্মশানকালী হিসেবেই রয়ে গিয়েছে দেবী। বাহারি আলো দিয়ে চারপাশ সাজানো হবে। ফলতার গ্রামীণ বারোয়ারি কালীপুজোর বড় আকর্ষণ নানা ধরণের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গ্রামের মানুষরা আসেন। ফলতার শাহীপুরের বালক সংঘের পুজো ৫৫ বছরে পা দিয়েছে। বহু অনুষ্ঠান হচ্ছে। পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক পুলক হালদার, প্রবীর হালদার, বিশ্বজিৎ হালদার বলেন, স্থায়ী মন্দিরে পুজো হবে। দোস্তিপুর থেকে শ্যামাকালী আনা হচ্ছে। পুজো ঘিরে একাধিক অনুষ্ঠান হবে। চোখ বেঁধে হাঁড়িভাঙা, মাটির বল ভাঙা, মোমবাতি জ্বালানো, মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা হবে। এছাড়াও একদিন প্রসাদ বিলির আয়োজন হয়েছে। ফলতা ন পুকূরিয়ার নবাসন পল্লিশ্রী সংঘের পুজো এবার ৭২ বছরে পা দিয়েছে। ফলতার সবথেকে বড় পুজো বলে দাবি সম্পাদক প্রণব মণ্ডলের। তিনি বলেন, পুজো শুরু করেছিলেন আদিত্য বাগ। তখন খোলা আকাশের নীচে মণ্ডপ হতো। তাঁর ছেলে পরে মন্দির গড়ে দেন। সেই মন্দিরেই হয় পুজো। মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। উৎসব ঘিরে নবাসন গ্রামে উন্মাদনা তুঙ্গে। উদোক্তাদের অনেকে যাত্রায় অভিনয় করেন। তা দেখতে বহু মানুষ আসেন। এবার হচ্ছে, ‘মা রেখেছি মাইনে করে, বউ রেখেছি পায়ে ধরে’ পালা। এর পাশাপাশি জলসা, প্রদীপ জ্বালানো, শাঁখ বাজানো, ঘট ভাঙার প্রতিযোগিতা হবে।