নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিশু পাচার কাণ্ডে ধৃত জ্যোৎস্না দিন দশেকের আরও এক শিশুকে সম্প্রতি তুলে দিয়েছিল অন্য এক মহিলার হাতে। তার হাত ঘুরে গিয়ে সেটি বিক্রি করা হয়েছে কলকাতার এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই তথ্য উঠে এসেছে। কিন্তু ওই শিশু কার কাছে বিক্রি করা হয়েছে, জানতে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।
Advertisement
শিশু পাচারের কিংপিন মানিক হালদারের সহযোগী হিসেবে দিন পনেরো আগে ধরা পড়ে জোৎস্না। তার মোবাইলের কল ডিটেইলস ঘেঁটে যশোর রোডের সান্থালিয়া দম্পতির নম্বর মেলে। জোৎস্না জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীদের জানায়, এই দম্পতিকে সে সাত লক্ষ টাকায় বাচ্চা বিক্রি করেছে। এরপর ওই দম্পতি ধরা পড়ে। উদ্ধার হয় দুই মাসের একটি কন্যা সন্তান। সিআইডির জেরায় ধৃত ওই মহিলা জানায় টাকা নেওয়া হয়েছে এক মিডলম্যান মারফত। ওই দম্পতি গাড়ি নিয়ে হাইওয়ের উপর আসে। মিডলম্যানের হাতে টাকা তুলে দেন সান্থালিয়া দম্পতি। ওই সময় জোৎস্না সঙ্গে ছিল।
ধৃত ওই মহিলা জেরায় জানিয়েছে, বাচ্চা বিক্রির জন্য তার একটি সিন্ডিকেট আছে। কলকাতার উপকণ্ঠে থাকা তাষর সিন্ডিকেটের এক মহিলা তাকে একটি বাচ্চার ব্যবস্থা করতে বলে। দালাল হিসেবে কাজ করা ওই মহিলাকে এক নিঃসন্তান দম্পতি অনুরোধ করেছিল বাচ্চা খুঁজে দিতে। জোৎস্নার সিন্ডিকেট সদস্য জানায়, শিশু মিলবে, তবে কয়েকটা দিন সময় লাগবে। সেইমতো সে যোগাযোগ করে সিন্ডিকেটের মাথা জোৎস্নার সঙ্গে। সিআইডির হেফাজতে থাকা জ্যোৎস্না জেরায় জানিয়েছে, মানিকের কাছ থেকে একটি বাচ্চা নিয়ে তার শাগরেদকে দিয়েছিল। তার সিন্ডিকেটের ওই মহিলা বাচ্চা কোথায় বিক্রি করেছে, তা জানা নেই বলে জেরাপর্বে সে দাবি করেছে। তার মোবাইল ঘেঁটে কলকাতার উপকন্ঠে থাকা ওই মহিলার সঙ্গে কথোপকথনের হদিশ মিলেছে। এই বাচ্চাটি কার কাছে রয়েছে, সোর্স কাজে লাগিয়ে তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি তাঁরা নিশ্চিত এই দুটিই নয়, একাধিক বাচ্চা জোৎস্না বিভিন্ন জনকে সরবরাহ করেছে। সেই বিষয়ে খোঁজখবর চলছে।
ধৃত ওই মহিলা জেরায় জানিয়েছে, বাচ্চা বিক্রির জন্য তার একটি সিন্ডিকেট আছে। কলকাতার উপকণ্ঠে থাকা তাষর সিন্ডিকেটের এক মহিলা তাকে একটি বাচ্চার ব্যবস্থা করতে বলে। দালাল হিসেবে কাজ করা ওই মহিলাকে এক নিঃসন্তান দম্পতি অনুরোধ করেছিল বাচ্চা খুঁজে দিতে। জোৎস্নার সিন্ডিকেট সদস্য জানায়, শিশু মিলবে, তবে কয়েকটা দিন সময় লাগবে। সেইমতো সে যোগাযোগ করে সিন্ডিকেটের মাথা জোৎস্নার সঙ্গে। সিআইডির হেফাজতে থাকা জ্যোৎস্না জেরায় জানিয়েছে, মানিকের কাছ থেকে একটি বাচ্চা নিয়ে তার শাগরেদকে দিয়েছিল। তার সিন্ডিকেটের ওই মহিলা বাচ্চা কোথায় বিক্রি করেছে, তা জানা নেই বলে জেরাপর্বে সে দাবি করেছে। তার মোবাইল ঘেঁটে কলকাতার উপকন্ঠে থাকা ওই মহিলার সঙ্গে কথোপকথনের হদিশ মিলেছে। এই বাচ্চাটি কার কাছে রয়েছে, সোর্স কাজে লাগিয়ে তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি তাঁরা নিশ্চিত এই দুটিই নয়, একাধিক বাচ্চা জোৎস্না বিভিন্ন জনকে সরবরাহ করেছে। সেই বিষয়ে খোঁজখবর চলছে।



