নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জায়গার অভাবে থমকে জেলার প্রায় ১৫০টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শৌচালয় নির্মাণের কাজ। যার ফলে খুদে পড়ুয়াদের হয় খোলা মাঠে অথবা কোনও বাড়িতে গিয়ে শৌচকর্ম করতে হচ্ছে। জমির সমস্যা মেটানোর জন্য সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত প্রধানদের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। কিন্তু যেভাবে এই কেন্দ্রগুলি তৈরি হয়ে রয়েছে, সেখানে আদৌ জট মিটবে কি না সেটাই বড় প্রশ্ন।
Advertisement
জানা গিয়েছে, নিজস্ব ভবন এবং ভাড়া বাড়ি অথবা ক্লাবঘরে চলছে এমন ৫০০ সেন্টার চিহ্নিত করেছিল জেলা প্রশাসন। এখানে নতুন করে শৌচালয় নির্মাণ করার কথা ছিল। বেশিরভাগ সেন্টারের জন্য জায়গা পাওয়া গেলেও এমন অনেক কেন্দ্র আছে যেখানে জায়গা ও জমি দুটোই নেই। সেখানে কী করে শৌচালয় করা যাবে সেটাই বুঝে উঠতে পারছেন না আধিকারিকরা। কারণ অনেক ভাড়া বাড়ির মালিক নির্মাণের অনুমতি দিচ্ছে না। আর যাঁরা দিচ্ছেন, সেই ঘরে বা তার বাইরে নির্মাণ করার কোনও জায়গা নেই। আবার যেসব পুরনো অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চলছে, সেগুলি এমনভাবে তৈরি হয়েছে যে শৌচালয় বানানোর জন্য বাড়তি জায়গা ছাড়া হয়নি। তাই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এইসব কারণে এখন জটিলতা তৈরি হয়েছে। জেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, জমি ও জায়গা জটের সমস্যা বেশি রয়েছে ক্যানিং ২, নামখানা বজবজ ১, ২ এবং বিষ্ণপুর ২ ব্লকে। প্রশাসনের আধিকারিকরা এ বিষয়ে লাগাতার পঞ্চায়েত প্রধান এবং ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে বিকল্প কোনও উপায় বের করে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শৌচালায় তৈরি করা যায়।
এইসব কারণে এখন জটিলতা তৈরি হয়েছে। জেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, জমি ও জায়গা জটের সমস্যা বেশি রয়েছে ক্যানিং ২, নামখানা বজবজ ১, ২ এবং বিষ্ণপুর ২ ব্লকে। প্রশাসনের আধিকারিকরা এ বিষয়ে লাগাতার পঞ্চায়েত প্রধান এবং ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে বিকল্প কোনও উপায় বের করে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শৌচালায় তৈরি করা যায়।



