সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’পাশে বিভিন্ন এলাকায় রাখা রয়েছে বালি ও স্টোনচিপ। বেশ কিছু জায়গায় সেগুলি পিচ রাস্তার উপর পর্যন্ত উঠে এসেছে। মূলত হটুগঞ্জ থেকে বকখালি পর্যন্ত এলাকায় এখন এই অবস্থা। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, এই কারণে প্রায়ই ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষত বাইক ও সাইকেল চালকেরা দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। কারা এইভাবে জাতীয় সড়কের দু’পাশে বালি ও স্টোনচিপ রেখেছেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
Advertisement
বাসিন্দারাই জানাচ্ছেন, বেশিরভাগ এলাকাতে নির্মাণ ব্যবসায়ীরাই অবৈধভাবে জাতীয় সড়কের দু’পাশে এই বালি ও স্টোনচিপ রেখে ব্যবসা করছেন। পিচ রাস্তার পাশে রাখা বালি ও স্টোনচিপ বিক্রি হয়ে গেলে, কয়েকদিনের জন্য জায়গাটি ফাঁকা থাকে। কিন্তু কয়েকদিন পর ফের দেখা যায় ওই জায়গাতে বালি ও স্টোনচিপ ডাই করে রাখা।
এবিষয়ে কাকদ্বীপের এক বাসিন্দা সত্যরঞ্জন শীল বলেন, কয়েকদিন আগে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে একটি স্কুটিতে করে কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। স্কুটির পিছনে মেয়ে বসেছিল। ঈশ্বরীপুরের কাছাকাছি এলাকায় একটি ১২ চাকার ট্রাক পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন রাস্তার ধারের দিকে যেতেই স্কুটির চাকা বালিতে পিছলে গিয়ে দু’জনে পড়ে যাই। দু’জনের মাথায় হেলমেট ছিল বলে কোনওরকম রক্ষা পেয়েছি। তবে পড়ে গিয়ে বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছিল। রাস্তার পাশে বালি রাখা ছিল বলেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিস প্রশাসনকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করা উচিত। সুন্দরবন পুলিস জেলার সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, জাতীয় সড়কের পাশে বালি ও স্টোনচিপ রাখা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। যদি কেউ রেখে থাকেন, তাহলে অবশ্যই সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এবিষয়ে কাকদ্বীপের এক বাসিন্দা সত্যরঞ্জন শীল বলেন, কয়েকদিন আগে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে একটি স্কুটিতে করে কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। স্কুটির পিছনে মেয়ে বসেছিল। ঈশ্বরীপুরের কাছাকাছি এলাকায় একটি ১২ চাকার ট্রাক পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন রাস্তার ধারের দিকে যেতেই স্কুটির চাকা বালিতে পিছলে গিয়ে দু’জনে পড়ে যাই। দু’জনের মাথায় হেলমেট ছিল বলে কোনওরকম রক্ষা পেয়েছি। তবে পড়ে গিয়ে বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছিল। রাস্তার পাশে বালি রাখা ছিল বলেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিস প্রশাসনকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করা উচিত। সুন্দরবন পুলিস জেলার সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, জাতীয় সড়কের পাশে বালি ও স্টোনচিপ রাখা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। যদি কেউ রেখে থাকেন, তাহলে অবশ্যই সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।



