নয়াদিল্লি, ১৪ ডিসেম্বর: সংবিধান দিবসের আলোচনায় জবাবি ভাষণে কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, শনিবার ভারতীয় সংবিধানের ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে সংসদে বিশেষ আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন মোদি।
Advertisement
কংগ্রেসকে নিশানা করে মোদি বলেন, “জরুরি অবস্থার মতো কলঙ্ককে কংগ্রেস কোনও দিনও মুছে ফেলতে পারবে না। দীর্ঘ দু’বছর জরুরি অবস্থা দেশবাসীর মৌলিক অধিকার খর্ব করেছিল। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। ২৫ বছর পূর্তিতে সংবিধানকে ছিন্নভিন্ন করে দেশকে কারাগারে পরিণত করেছিল কংগ্রেস। নাগরিকদের অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছিল।” এখানেই থেমে থাকেননি মোদি। একযোগে তিনি আক্রমণ করেন প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং ইন্দিরা গান্ধীকে। মোদির কথায়, “একটি পরিবার দেশের সংবিধানকে ধ্বংস করেছে। নেহরু সংবিধান পরিবর্তনের যে বীজ বপন করেছিলেন, ইন্দিরা গান্ধী তা অনুসরণ করেছিলেন।” মোদির অভিযোগ, ৬০ বছরে কংগ্রেস ৭৫ বার সংবিধান পরিবর্তন করেছে।
সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী এদিন ‘ঐক্যবদ্ধ’ ভারতে গড়ে তোলার কথা বলেন। তিনি বলেন, “ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করাই আমাদের লক্ষ্য। ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে আমরা কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার বিলুপ্তি ঘটিয়েছি।” এরপরই মোদি জিএসটি এবং এক দেশ, এক রেশন কার্ডের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তাঁর কথায়, “জিএসটি দেশে অর্থনৈতিক ঐক্যের সূচনা করেছে। অন্যদিকে, এক দেশ, এক রেশন কার্ড দেশে গরীবদের ক্ষমতায়ন করেছে।”
মোদির ভাষণ শেষে সংসদের বাইরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কোনও গঠনমূলক কথা বলেননি।”
সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী এদিন ‘ঐক্যবদ্ধ’ ভারতে গড়ে তোলার কথা বলেন। তিনি বলেন, “ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করাই আমাদের লক্ষ্য। ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে আমরা কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার বিলুপ্তি ঘটিয়েছি।” এরপরই মোদি জিএসটি এবং এক দেশ, এক রেশন কার্ডের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তাঁর কথায়, “জিএসটি দেশে অর্থনৈতিক ঐক্যের সূচনা করেছে। অন্যদিকে, এক দেশ, এক রেশন কার্ড দেশে গরীবদের ক্ষমতায়ন করেছে।”
মোদির ভাষণ শেষে সংসদের বাইরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কোনও গঠনমূলক কথা বলেননি।”



