জয়পুর, ৪ নভেম্বর: এক গ্রামবাসীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ‘সাজা’! ইট ছুড়ে, কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে একটি মানুষখেকো বাঘকে ‘খুন’ করার অভিযোগ উঠল গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। গতকাল রবিবার, রাজস্থানের রণথম্ভোর ন্যাশনাল পার্কের কাছে বাঘটির দেহ উদ্ধার হয়। যদিও বনদপ্তর এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি দেয়নি।
Advertisement
বনদপ্তর সূত্রে খবর, বাঘটির নাম টি-৮৬। শনিবারই সেটি এক গ্রামবাসীকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। তাই অনুমান করা হচ্ছে, সেই হামলার পরেই ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে বাঘটিকে পাথর ছুড়ে ও কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে গ্রামবাসীরা। যদিও এখনই এবিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে নারাজ দপ্তর। সোমবার বিকেলের পর পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে সন্দেহ করা হচ্ছে, প্রথমে বড় বড় পাথর ছুড়ে বাঘটিকে হত্যা করা হয় ও পরে কুড়ুলের মতো ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়।
বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত ওই বাঘটি আসলে পুরুষ বাঘ। সেটি আসলে বাঘিনি লাডলি টি-৮ এবং বাঘ টি-৩৪ এর সন্তান। গত ১৪ বছর ধরে জঙ্গলে দাপটের সঙ্গে রাজ করেছে সে। বন দপ্তরের এক কর্মী জানিয়েছেন, ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে, বাঘটিকে গ্রামবাসীরা পিটিয়ে মেরেছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্টেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত ওই বাঘটি আসলে পুরুষ বাঘ। সেটি আসলে বাঘিনি লাডলি টি-৮ এবং বাঘ টি-৩৪ এর সন্তান। গত ১৪ বছর ধরে জঙ্গলে দাপটের সঙ্গে রাজ করেছে সে। বন দপ্তরের এক কর্মী জানিয়েছেন, ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে, বাঘটিকে গ্রামবাসীরা পিটিয়ে মেরেছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্টেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।



