Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬

বিজেপিতে যোগ: শমীকের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন তৃণমূলের বিদ্রোহী এমপিরা

শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠক হতে পারে। এটি বিজেপির সংগঠনকে শক্তিশালী করবে। বিস্তারিত পড়ুন।

বিজেপিতে যোগ: শমীকের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন তৃণমূলের বিদ্রোহী এমপিরা
  • ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: আগামী ২০ জুলাই, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তা চলবে আগামী ১৩ আগস্ট পর্যন্ত। সংসদের এই দীর্ঘ বাদল অধিবেশন চলাকালীনই দিল্লিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের। বিজেপির শীর্ষ সূত্রে এই দাবি করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে যে, দলের শীর্ষস্তরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই এসংক্রান্ত বিষয়ে উদ্যোগ নিতে চলেছেন। ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে যে, বিদ্রোহী সাংসদরা সরাসরি বিজেপিতে মিশে যাবেন। দলীয় সূত্রের ব্যাখ্যা, শমীকবাবুর সঙ্গে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠক হলে আরও পোক্ত হবে তাঁদের গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া সংক্রান্ত জল্পনা।  

Advertisement

কারণ ইতিপূর্বে লোকসভায় তৃণমূলের এইসব বিদ্রোহী সাংসদের সঙ্গে বিজেপির রাজ্যস্তরে বৈঠক করেছেন শুধুমাত্র বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিদ্রোহী সাংসদদের কোনো বৈঠক তো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একটি বড়ো অংশ মনে করছে যে, বিজেপি পার্টির সাংগঠনিক ‘প্রধান’ রাজ্য সভাপতির সঙ্গে অবিলম্বে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠক হওয়া প্রয়োজন। নাহলে রাজ্য বিজেপিতে মূলত নিচুতলার নেতাকর্মী-সমর্থকদের কাছে ক্রমাগত ভুল বার্তা যাচ্ছে। তাঁরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সবথেকে যা গুরুত্বপূর্ণ, রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক শীর্ষস্তরে মান-অভিমানের ছোটোখাটো পরিসর তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। বর্তমান প্রেক্ষিতে বঙ্গ বিজেপিতে এমন ‘দ্বন্দ্বে’র প্রেক্ষাপট তৈরির কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না দলের শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতারা। সেইমতো জানা যাচ্ছে যে, বাদল অধিবেশন শুরু হলেই এব্যাপারে সুস্পষ্ট বার্তা পাঠানো হতে পারে শমীক ভট্টাচার্যের কাছে। 
সংসদীয় অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালেই দিল্লি পৌঁছচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীকবাবু। সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতির কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজ্যসভার তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশচিক বরাইককে আপাতত বিজেপির ‘পাঠ’ পড়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শমীকবাবুর উপর! বাকি দলের শীর্ষস্তর থেকে যেমন নির্দেশ আসবে তেমন পদক্ষেপ করা হবে। এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া বলেন, ‘কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের নেতানেত্রী। বৈঠকের ব্যাপারে তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেবেন।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ