সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: আবর্জনা ফেলাটা একটা কৌশল। দিনের পর দিন এই ভাবে মায়াপুর হুলোর ঘাট এলাকায় ফেরিঘাট সংলগ্ন জলঙ্গি নদীর পাড় দখল চলছে। এভাবেই জলঙ্গি নদীর পাড় দখল করে কেউ গোয়াল ঘর বানিয়েছে, কেউ বা ফুল গাছ লাগিয়েছে। কেউ আবার স্থায়ী নির্মাণও করে ফেলেছে।
Advertisement
ইদানিং এক শ্রেণির হোটেল ব্যবসায়ী নদীর পাড় ঘেঁষে বেআইনি নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মায়াপুর-বামুনপুকুর ২ পঞ্চায়েতের হুলোর ঘাট সংলগ্ন এলাকার দু’ ধারে জলঙ্গির পাড়ে বেড়েই চলেছে দখলদারি। দিনের পর দিন সংকীর্ণ হচ্ছে নদী। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত বা প্রশাসন কারওরই কোনও হেলদোল নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আবর্জনা ও মাটি ফেলে নদী বোজানোর কাজ হচ্ছে ধীরে অথচ স্থায়ীভাবে। আশঙ্কা এভাবেই হয়তো হারিয়ে যাবে গোটা একটা নদী। স্বরূপগঞ্জের এক বাসিন্দা জানালেন, প্রতিদিনই স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ঘাট থেকে নৌকোয় হুলোর ঘাট পার হয়ে মায়াপুরে কাজে যেতে হয়। লক্ষ্য করছি এক শ্রেণির মানুষ অল্প অল্প করে আবর্জনা ফেলে নদী বুজিয়ে জায়গা দখল করে চলেছেন। প্রথমে নদীর পাড়ে বাঁশ দিয়ে ঘিরে অল্প অল্প করে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এবং তারপর মাটি ফেলে সেই জায়গায় বেআইনি নির্মাণ হচ্ছে।
নবদ্বীপ ফেরিঘাট জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির এক কর্তা বলেন, মায়াপুর লঞ্চ ঘাটে জেটির পাশে নোংরা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। কে বা কারা রাতের অন্ধকারে আবর্জনা ফেলে রেখে স্তূপাকার করে রাখছে। নদীর অনেকটা জায়গায় নোংরা আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। নোংরা ফেলায় ফেরিঘাটের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। নদী পারাপার হতে আসা মানুষদের দুর্গন্ধে পথ চলায় দায়। নদীপ্রেমী ও সেভ জলঙ্গির সম্পাদক শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয়-পর্যটন মানচিত্রে মায়াপুর এক গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র। প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ ভিড় করেন এখানে। জলঙ্গির পাড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য হোটেল ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দূষণ প্রতিরোধে নেই কোনও ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান কিংবা সরকারি নজরদারি। নির্বিচারে চলছে নদী পাড়ে অবৈধ দখল ও নির্মাণ। নদী দখল রুখতে জলঙ্গি নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হোক অবিলম্বে। কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান ও বিডিওকে জানিয়েছি। ওখানে কিছু সাইনবোর্ড বসিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে। সেইসঙ্গে নিয়মিত জঞ্জাল সাফাই করতে হবে।
নবদ্বীপ ফেরিঘাট জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির এক কর্তা বলেন, মায়াপুর লঞ্চ ঘাটে জেটির পাশে নোংরা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। কে বা কারা রাতের অন্ধকারে আবর্জনা ফেলে রেখে স্তূপাকার করে রাখছে। নদীর অনেকটা জায়গায় নোংরা আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। নোংরা ফেলায় ফেরিঘাটের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। নদী পারাপার হতে আসা মানুষদের দুর্গন্ধে পথ চলায় দায়। নদীপ্রেমী ও সেভ জলঙ্গির সম্পাদক শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয়-পর্যটন মানচিত্রে মায়াপুর এক গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র। প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ ভিড় করেন এখানে। জলঙ্গির পাড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য হোটেল ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দূষণ প্রতিরোধে নেই কোনও ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান কিংবা সরকারি নজরদারি। নির্বিচারে চলছে নদী পাড়ে অবৈধ দখল ও নির্মাণ। নদী দখল রুখতে জলঙ্গি নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হোক অবিলম্বে। কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান ও বিডিওকে জানিয়েছি। ওখানে কিছু সাইনবোর্ড বসিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে। সেইসঙ্গে নিয়মিত জঞ্জাল সাফাই করতে হবে।



