নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বন্ধুদের সঙ্গে জন্মদিনের পার্টি শেষে নিজের বাড়িতেই রহস্যজনকভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। বছর পঁচিশের ওই যুবকের নাম প্রশান্ত পান্ডে ওরফে শিবম। ঘটনাটি ঘটেছে জোড়াসাঁকো থানার ১৯৪ নম্বর রবীন্দ্র সরণির এক বহুতলে। কলকাতা পুলিসের ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এই খবর জানিয়েছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে খবর, মাসখানেক আগে একটি নামী মিষ্টির দোকানের নিউ আলিপুর শাখায় চাকরি পেয়েছিলেন প্রশান্ত। রবিবার রাতে রবীন্দ্র সরণির ওই বাড়ির তিনতলায় নিজের ঘরে বন্ধুদের সঙ্গে অনেক রাত পর্যন্ত পার্টি করেন তিনি। সেখানে মদ্যপান করা হয় বলে খবর। পার্টি শেষে বন্ধুরা বাড়ি চলে যান। তখনকার মতো ঘুমিয়ে পড়েন প্রশান্ত। সোমবার সকালে জোড়াসাঁকো থানার পুলিস অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রশান্তকে। তড়িঘড়ি তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কলকাতা পুলিসের একটি সূত্র জানিয়েছে, মৃত যুবকের হাত, পা এবং পেট আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এমনকী তাঁর বিছানার চাদর, বালিশ, কম্বল— সবই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিসের অনুমান, খুব সম্ভবত জ্বলন্ত সিগারেট হাতে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন প্রশান্ত। সেই সিগারেট থেকেই আগুন বিছানায় লাগে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে আজ মঙ্গলবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিন দুপুরে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হলেও চিকিৎসকরা মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু জানাননি। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে গোয়েন্দারা বলছেন, শীতকালে ঘরের জানালা-দরজা বন্ধ থাকে। সাধারণত, এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ বালিশ-কম্বলের ধোঁয়ায় (বিষাক্ত কার্বন মনোঅক্সাইড) ঘর ভরে যায়। সম্ভবত তাতেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ওই যুবক। তাছাড়া তিনি নিজেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছিলেন। এই ঘটনায় সোমবার রাত পর্যন্ত জোড়াসাঁকো থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। প্রাথমিক তদন্তে কোনও অসঙ্গতি মেলেনি বলেই কলকাতা পুলিসের দাবি। আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
কলকাতা পুলিসের একটি সূত্র জানিয়েছে, মৃত যুবকের হাত, পা এবং পেট আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এমনকী তাঁর বিছানার চাদর, বালিশ, কম্বল— সবই আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিসের অনুমান, খুব সম্ভবত জ্বলন্ত সিগারেট হাতে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন প্রশান্ত। সেই সিগারেট থেকেই আগুন বিছানায় লাগে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে আজ মঙ্গলবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিন দুপুরে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হলেও চিকিৎসকরা মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু জানাননি। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে গোয়েন্দারা বলছেন, শীতকালে ঘরের জানালা-দরজা বন্ধ থাকে। সাধারণত, এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ বালিশ-কম্বলের ধোঁয়ায় (বিষাক্ত কার্বন মনোঅক্সাইড) ঘর ভরে যায়। সম্ভবত তাতেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ওই যুবক। তাছাড়া তিনি নিজেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছিলেন। এই ঘটনায় সোমবার রাত পর্যন্ত জোড়াসাঁকো থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। প্রাথমিক তদন্তে কোনও অসঙ্গতি মেলেনি বলেই কলকাতা পুলিসের দাবি। আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।



