নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: জয়নগরের পর ফরাক্কা। ধর্ষণ-খুনের মতো ঘৃণ্য অপরাধের তদন্তে রাজ্য পুলিসের দক্ষতার প্রমাণ মিলল আরও একবার। গত সপ্তাহে বারুইপুরের বিশেষ পকসো আদালত জয়নগর-কাণ্ডে দোষী সাব্যস্তকে ফাঁসির সাজা দেয়। আর শুক্রবার মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর আদালত ফরাক্কায় ন’বছরের নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনাল। এক্ষেত্রেও অপরাধীদের কঠোরতম সাজা ঘোষণা হল ঘটনার ৬২ দিনের মাথায়। অপর এক দোষী সাব্যস্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
Advertisement
আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নেমে সিবিআইয়ের কার্যত ল্যাজেগোবরে অবস্থা। চার্জশিট জমা দিতে না পারায় এদিনই এ সংক্রান্ত একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সন্দীপ ঘোষ এবং অভিজিৎ মণ্ডল। স্বভাবতই সিবিআইয়ের ‘ব্যর্থতা’ নিয়ে সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল। একই দিনে রাজ্য পুলিসের এহেন ‘সাফল্য’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদিচ্ছা ও দক্ষতাকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ফরাক্কার ঘটনায় রায় ঘোষণার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আমি আবার বলছি, প্রত্যেক ধর্ষণকারীর কঠোরতম শাস্তি (ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট) পাওয়া উচিত। সমাজ থেকে এই ঘৃণ্য সামাজিক ব্যাধির মূল উৎপাটন করতে দ্রুত বিচার ও শাস্তিপ্রদান গুরুত্বপূর্ণ।’
মূল অভিযুক্ত দীনবন্ধু হালদারকে ফাঁসি এবং তার সহযোগী শুভজিৎ হালদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জঙ্গিপুরের অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারক অমিতাভ মুখোপাধ্যায়। ঘটনার ২১ দিনের মধ্যে ফরাক্কা থানার পুলিস চার্জশিট জমা দিয়েছিল। রায় শুনে এদিন আদালত চত্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতা শিশুর মা ও পরিবারের সদস্যরা। একই সঙ্গে মেয়ে সুবিচার পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশও করেছেন তাঁরা। সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এটা যে একটা নৃশংসতম ঘটনা, তা আমরা আদালতে প্রমাণ করতে পেরেছি।’ এদিন দুই আসামিকে কড়া পুলিসি নিরাপত্তায় আদালতে নিয়ে আসা হয়। নাবালিকাকে অপহরণ, গণধর্ষণ করে খুন ও খুনের পর তথ্যপ্রমাণ লোপাটের একাধিক ধারায় তাদের বৃহস্পতিবার দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত।
বিজয়া দশমীর সকালে নাবালিকা যখন বাড়ির বাইরে খেলছিল, তখন দীনবন্ধু তাকে ফুল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর সেখানে আসে শুভজিৎ। দু’জনে মিলে তাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুন করে। শুভজিৎ ধর্ষণকারী হলেও অপহরণ ও অপরাধের পরিকল্পনায় সে যুক্ত ছিল না বলেই ফাঁসির সাজা থেকে রেহাই মিলেছে।
মূল অভিযুক্ত দীনবন্ধু হালদারকে ফাঁসি এবং তার সহযোগী শুভজিৎ হালদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জঙ্গিপুরের অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারক অমিতাভ মুখোপাধ্যায়। ঘটনার ২১ দিনের মধ্যে ফরাক্কা থানার পুলিস চার্জশিট জমা দিয়েছিল। রায় শুনে এদিন আদালত চত্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতা শিশুর মা ও পরিবারের সদস্যরা। একই সঙ্গে মেয়ে সুবিচার পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশও করেছেন তাঁরা। সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এটা যে একটা নৃশংসতম ঘটনা, তা আমরা আদালতে প্রমাণ করতে পেরেছি।’ এদিন দুই আসামিকে কড়া পুলিসি নিরাপত্তায় আদালতে নিয়ে আসা হয়। নাবালিকাকে অপহরণ, গণধর্ষণ করে খুন ও খুনের পর তথ্যপ্রমাণ লোপাটের একাধিক ধারায় তাদের বৃহস্পতিবার দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত।
বিজয়া দশমীর সকালে নাবালিকা যখন বাড়ির বাইরে খেলছিল, তখন দীনবন্ধু তাকে ফুল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর সেখানে আসে শুভজিৎ। দু’জনে মিলে তাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুন করে। শুভজিৎ ধর্ষণকারী হলেও অপহরণ ও অপরাধের পরিকল্পনায় সে যুক্ত ছিল না বলেই ফাঁসির সাজা থেকে রেহাই মিলেছে।



