সংবাদদাতা, বারুইপুর: আর জি কর কাণ্ডের পরেই জয়নগরে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। এরপরে ‘জাস্টিস’-এর দাবি তুলে এলাকার মানুষকে একত্র করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল পড়ুয়া পুলিসের বিরুদ্ধেই স্লোগানে মুখর হয়েছিলেন। এতে তাল মিলিয়েছিলেন বাম ও বিজেপি নেতারাও। কিন্তু এই ধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্ত মোস্তাকিন সর্দারের ফাঁসির আদেশ ঘোষণার পরেই তাঁদের আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ব্যাপারে ছাত্রীর পরিবারের লোকজন বলেন, কিছু রাজনৈতিক মানুষ ফায়দা তুলতে এসেছিলেন। আমরা এখন দিন গুনছি, কবে ফাঁসি হবে অভিযুক্তের।
Advertisement
স্থানীয় পঞ্চায়েতের এক সদস্যের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়া গরানকাঠি গ্রামে এসে ঘর ভাড়া নিয়ে থেকে মানুষকে পুলিসের বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের বাড়া ভাতে ছাই পড়ল ফাঁসির আদেশে। এদিকে, শনিবার মহিষমারি এলাকা জুড়ে একটাই চর্চা মানুষের মধ্যে। সবার বক্তব্য, যা হয়েছে, ঠিকই হয়েছে। অবশেষে বিচার পেল এলাকার মেয়ে। এই শাস্তি দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। সবাই চাইছেন ফাঁসি দ্রুত দেওয়া হোক। অন্যদিকে, নিহত ছাত্রীর বাড়িতেও এদিন উপচে পড়ে মানুষের ভিড়। প্রতিবেশীরা বলেন, পুলিস দ্রুত চার্জশিট দিয়েছে বলেই এত দ্রুত শাস্তি সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, অভিযুক্ত মোস্তাকিন সর্দারের পরিবারের তরফে শনিবার বারুইপুর আদালতে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। তারা নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবে কি না, তা এখনও
স্পষ্ট নয়।
স্পষ্ট নয়।



