সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: চুরি হয়ে যাচ্ছে গঙ্গার পাড়। দিনে দুপুরে কখনও শ্রমিক দিয়ে, আবার কখনও জেসিবি দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। জঙ্গিপুর মহকুমাজুড়ে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য চরমভাবে বেড়েছে। মহকুমার বিভিন্ন ব্লকে কৃষিজমি, নদীর চড় ও পাড় থেকে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। এখন নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়েছে। রঘুনাথগঞ্জ ১ ও ২, সূতি ১ ও ২ ব্লকে দেদার মাটি চুরি চলছে। একইসঙ্গে সামশেরগঞ্জ, ফারাক্কা সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাটি চুরি চলছে। নদীর পাড় থেকে দেদার মাটি কাটা চললেও চুপ প্রশাসন। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তাতে মাটি কাটা বন্ধ হচ্ছে না।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে রঘুনাথগঞ্জ ২ ব্লকের বিএলআরও সন্দীপ কুমার দাস বলেন, অভিযোগ পেলেই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। অনেকসময় পাচারকারীরা প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। সপ্তাহ দুয়েক আগেই দু’টি ট্রাক্টর আটক করে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
দিন কয়েক আগে ভোরে রাতে রঘুনাথগঞ্জ ২ ব্লকের কাশিয়াডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের হাটপাড়া এলাকায় নির্বিঘ্নে নদী চরের মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান ভূমি দপ্তরের কর্তারা। সেখানে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ ভূমি দপ্তরের আধিকারিকদের। নদীর চর চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে পাচারকারীরা। ট্রাক্টরে করে মাটি তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র। আধিকারিকদের দেখেই ট্রাক্টর ফেলে পালিয়ে যায় চালকরা। দু’টি ট্রাক্টর আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিস। একইভাবে কলাবাগান এলাকায় নদীর পাড়ের মাটিকেটে নিয়ে যাচ্ছে মাটি মাফিয়ারা। অপরদিকে, রঘুনাথগঞ্জ ১ ব্লকের তালাই কুলোরি এলাকায় চাষ যোগ্য জমি থেকে মাটি কেটে পাচার করা হচ্ছে। প্রতিদিন কয়েকশো ট্রাক্টর মাটি কেটে পাচার করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর দাবি। মাটি মাফিয়াদের অত্যাচারে তাঁদের প্রাণ অতিষ্ঠ।
এদিকে, সূতির পদ্মার চর থেকে দিনে দুপুরে মাটি পাচার চলছে। নুরপুর, চাঁদনি চক, গোঠা এলাকায় জেসিবি দিয়ে মাটি কাটার কাজ করছে পাচারকারীরা। সেই মাটি প্রতিদিন শ’য়ে শ’য়ে ট্রাক্টরে করে পাচার করা হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। ভাটার মালিকদের যোগসাজশে বিভিন্ন জায়গায় মাটি চুরির কারবার চলছে। অধিকাংশ ঘটনায় নীরব ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। এই মাটি পাচারের কাজে তাদেরও মদত আছে বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় মাটি মাফিয়ারা বিঘার পর বিঘা চরের মাটি জেসিবি দিয়ে কেটে ট্রাক্টরে করে নিয়ে যাচ্ছে। তার জেরে আরও ক্ষোভ বেড়েছে। হাটপাড়া ও কলাবাগান এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরেই অবাধে চলছে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য। সূতির বাউড়িপুনি এলাকা থেকে ট্র্যাক্টরে করে মাটি নিয়ে সেই মাটি ঝাড়খণ্ড কিংবা সামশেরগঞ্জের দোগাছি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামশেরগঞ্জের লস্করপুর এবং দোগাছির শেষ প্রান্তেও মাটি কাটা হচ্ছে। ঘনবসতি এলাকার মধ্যে দিয়ে ট্রাক্টর নিয়ে যাওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
দিন কয়েক আগে ভোরে রাতে রঘুনাথগঞ্জ ২ ব্লকের কাশিয়াডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের হাটপাড়া এলাকায় নির্বিঘ্নে নদী চরের মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান ভূমি দপ্তরের কর্তারা। সেখানে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ ভূমি দপ্তরের আধিকারিকদের। নদীর চর চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে পাচারকারীরা। ট্রাক্টরে করে মাটি তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র। আধিকারিকদের দেখেই ট্রাক্টর ফেলে পালিয়ে যায় চালকরা। দু’টি ট্রাক্টর আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিস। একইভাবে কলাবাগান এলাকায় নদীর পাড়ের মাটিকেটে নিয়ে যাচ্ছে মাটি মাফিয়ারা। অপরদিকে, রঘুনাথগঞ্জ ১ ব্লকের তালাই কুলোরি এলাকায় চাষ যোগ্য জমি থেকে মাটি কেটে পাচার করা হচ্ছে। প্রতিদিন কয়েকশো ট্রাক্টর মাটি কেটে পাচার করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর দাবি। মাটি মাফিয়াদের অত্যাচারে তাঁদের প্রাণ অতিষ্ঠ।
এদিকে, সূতির পদ্মার চর থেকে দিনে দুপুরে মাটি পাচার চলছে। নুরপুর, চাঁদনি চক, গোঠা এলাকায় জেসিবি দিয়ে মাটি কাটার কাজ করছে পাচারকারীরা। সেই মাটি প্রতিদিন শ’য়ে শ’য়ে ট্রাক্টরে করে পাচার করা হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। ভাটার মালিকদের যোগসাজশে বিভিন্ন জায়গায় মাটি চুরির কারবার চলছে। অধিকাংশ ঘটনায় নীরব ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। এই মাটি পাচারের কাজে তাদেরও মদত আছে বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় মাটি মাফিয়ারা বিঘার পর বিঘা চরের মাটি জেসিবি দিয়ে কেটে ট্রাক্টরে করে নিয়ে যাচ্ছে। তার জেরে আরও ক্ষোভ বেড়েছে। হাটপাড়া ও কলাবাগান এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরেই অবাধে চলছে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য। সূতির বাউড়িপুনি এলাকা থেকে ট্র্যাক্টরে করে মাটি নিয়ে সেই মাটি ঝাড়খণ্ড কিংবা সামশেরগঞ্জের দোগাছি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামশেরগঞ্জের লস্করপুর এবং দোগাছির শেষ প্রান্তেও মাটি কাটা হচ্ছে। ঘনবসতি এলাকার মধ্যে দিয়ে ট্রাক্টর নিয়ে যাওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।



