নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: বেলপাহাড়ীতে ফের বাঘের আতঙ্ক। কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে পোষ্য ছাগলকে তুলে নিয়ে গেল বাঘ! সিঙ্গাডোবা গ্ৰামের বাসিন্দা নমিতা মাহাতর দাবি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বনবিভাগ জঙ্গল এলাকায় বাঘের খোঁজ চালাচ্ছে। গ্ৰামবাসীদের জঙ্গলে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
Advertisement
ঝাড়খণ্ডের সীমানা পেরিয়ে বেলপাহাড়ীর জঙ্গলে হাজির হয়েছিল বাঘিনি জিনাত। তার কিছুদিন পরই হাঁড়িডাহা ও কাঁকড়াঝোড়ের গভীর জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ মিলেছিল। মুনিয়াডি, বগডুবা, লবনি, মাছকাঁদনা, ঢাঙ্গিকুসুম, ঠাকুরানপাহাড়, কদলবনী, পাথরচাকড়ি, শিমুলপাল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। তার পর থেকে বাঘের আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না। কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে এবার বাঘের ছাগল শিকারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে সিঙ্গাডোবা গ্ৰামের এক বধূ পোষ্য ২৫টি ছাগল নিয়ে কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে গিয়েছিলেন। পাহাড়ের পাদদেশে ছোট টিলা ও বড় জলাশয় সংলগ্ন ঘাসজমিতে ছাগলগুলি চরছিল। সেখান থেকে বাঘ একটি ছাগল তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয় গ্ৰামবাসীদের মধ্যে যা নিয়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। নমিতা বলেন, দুপুরে ছাগলগুলি জঙ্গলে চরাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। বিকেলের দিকে ঘটনাটি ঘটে। কয়েকটি ছাগল পাহাড়ের টিলায় চরছিল। সেইসময় ঘড়ঘড় আওয়াজ শুনতে পাই। ছাগলগুলি ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। আচমকা জঙ্গলের পাখি ও বানরের ডাকাডাকি বেড়ে গিয়েছিল। টিলার যে জায়গায় বসেছিলাম তার কিছুটা দূরে পাথর ও ঝোপের আড়ালে বাঘটির পিছনের দিক দেখা যাচ্ছিল। গায়ে হলুদ রঙের মাঝে কালো ডোরাকাটা দাগ ছিল। লম্বা লেজ। বাঘটা উপুড় হয়ে যেভাবে বসেছিল তাতে মনে হচ্ছিল ছাগলের গলা ধরে আছে। প্রাণভয়ে সেখান থেকে ছুটতে শুরু করি। আমার পিছনে পিছনে ছাগলগুলো দৌড়তে শুরু করে। গ্ৰামে ফিরে সকলকে ঘটনাটি জানাই। ২৪টা ছাগল ফিরে এলেও একটা আসেনি। গতকালের সেই আতঙ্ক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি।
সিঙ্গাডোবা গ্ৰামের বাসিন্দা বাদল সিং বলেন, কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে আগে কখনও বাঘ দেখা যায়নি। এমনকী হাতিও আসে না। এখন মনে হচ্ছে জঙ্গল এলাকায় বাঘ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বনবিভাগের কর্মীরা এদিন সকালে এসেছিল। গ্ৰামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা ভয় পাচ্ছি। বেলপাহাড়ীর মুনিয়ারডি গ্ৰামের কয়েকজন বাসিন্দা কিছুদিন আগে জঙ্গলে বাঘের দেখা পাওয়ার দাবি করেছিলেন। জঙ্গলে ঘনঘন বাঘের উপস্থিতিতে বনবিভাগের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। বনদপ্তরের তরফে গ্ৰামবাসীদের জঙ্গলে যেতে বারণ করা হচ্ছে। তারপরও অনেক জঙ্গলে যাওয়ায় বিপদের ঝুঁকি বাড়ছে।
জেলার বন বিভাগের এক কর্তা বলেন, ভিনরাজ্যের ব্যাঘ্র প্রকল্পে সম্ভবত বাঘের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। নিরাপদ আশ্রয় ও খাবারের সন্ধানে বাঘ নিজেদের এলাকা বাড়াচ্ছে। গভীর জঙ্গলে এতদিন ঘুরে বেড়ালেও এবার খাবারের সন্ধানে জঙ্গল লাগোয়া গ্ৰামের দিকে চলে আসছে। কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে ঢোকা বন্য জন্তুটি বাঘ কিনা এখনও প্রমাণ সহ জানা যায়নি। ভুলাভেদা রেঞ্জের এক আধিকারিক বলেন, আমরা জঙ্গল এলাকা পরিদর্শন করছি। গ্ৰামবাসীদের গভীর জঙ্গলে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে।
শুক্রবার দুপুরে সিঙ্গাডোবা গ্ৰামের এক বধূ পোষ্য ২৫টি ছাগল নিয়ে কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে গিয়েছিলেন। পাহাড়ের পাদদেশে ছোট টিলা ও বড় জলাশয় সংলগ্ন ঘাসজমিতে ছাগলগুলি চরছিল। সেখান থেকে বাঘ একটি ছাগল তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয় গ্ৰামবাসীদের মধ্যে যা নিয়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। নমিতা বলেন, দুপুরে ছাগলগুলি জঙ্গলে চরাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। বিকেলের দিকে ঘটনাটি ঘটে। কয়েকটি ছাগল পাহাড়ের টিলায় চরছিল। সেইসময় ঘড়ঘড় আওয়াজ শুনতে পাই। ছাগলগুলি ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। আচমকা জঙ্গলের পাখি ও বানরের ডাকাডাকি বেড়ে গিয়েছিল। টিলার যে জায়গায় বসেছিলাম তার কিছুটা দূরে পাথর ও ঝোপের আড়ালে বাঘটির পিছনের দিক দেখা যাচ্ছিল। গায়ে হলুদ রঙের মাঝে কালো ডোরাকাটা দাগ ছিল। লম্বা লেজ। বাঘটা উপুড় হয়ে যেভাবে বসেছিল তাতে মনে হচ্ছিল ছাগলের গলা ধরে আছে। প্রাণভয়ে সেখান থেকে ছুটতে শুরু করি। আমার পিছনে পিছনে ছাগলগুলো দৌড়তে শুরু করে। গ্ৰামে ফিরে সকলকে ঘটনাটি জানাই। ২৪টা ছাগল ফিরে এলেও একটা আসেনি। গতকালের সেই আতঙ্ক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি।
সিঙ্গাডোবা গ্ৰামের বাসিন্দা বাদল সিং বলেন, কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে আগে কখনও বাঘ দেখা যায়নি। এমনকী হাতিও আসে না। এখন মনে হচ্ছে জঙ্গল এলাকায় বাঘ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বনবিভাগের কর্মীরা এদিন সকালে এসেছিল। গ্ৰামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা ভয় পাচ্ছি। বেলপাহাড়ীর মুনিয়ারডি গ্ৰামের কয়েকজন বাসিন্দা কিছুদিন আগে জঙ্গলে বাঘের দেখা পাওয়ার দাবি করেছিলেন। জঙ্গলে ঘনঘন বাঘের উপস্থিতিতে বনবিভাগের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। বনদপ্তরের তরফে গ্ৰামবাসীদের জঙ্গলে যেতে বারণ করা হচ্ছে। তারপরও অনেক জঙ্গলে যাওয়ায় বিপদের ঝুঁকি বাড়ছে।
জেলার বন বিভাগের এক কর্তা বলেন, ভিনরাজ্যের ব্যাঘ্র প্রকল্পে সম্ভবত বাঘের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। নিরাপদ আশ্রয় ও খাবারের সন্ধানে বাঘ নিজেদের এলাকা বাড়াচ্ছে। গভীর জঙ্গলে এতদিন ঘুরে বেড়ালেও এবার খাবারের সন্ধানে জঙ্গল লাগোয়া গ্ৰামের দিকে চলে আসছে। কেতকি ঝর্ণার জঙ্গলে ঢোকা বন্য জন্তুটি বাঘ কিনা এখনও প্রমাণ সহ জানা যায়নি। ভুলাভেদা রেঞ্জের এক আধিকারিক বলেন, আমরা জঙ্গল এলাকা পরিদর্শন করছি। গ্ৰামবাসীদের গভীর জঙ্গলে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে।



