নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর শহরের আলিগঞ্জ আর আর বি বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারছিল না ১৮ জন পড়ুয়া। মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়ার হস্তক্ষেপে হয় সমস্যার সমাধান। নির্দেশিকা জারি করে একথা জানানো হয়েছে জেলা শিক্ষা দপ্তরের তরফে। মেদিনীপুরের সাংসদ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় খুশি অভিভাবকরা। তাঁদের কথায়, চতুর্থ শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ওঠার সময়ে ভর্তি নিতে চায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে অন্য স্কুলে ভর্তির সময় পেরিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে ১৮ ছাত্রী। পড়ুয়াদের বছর নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে মেদিনীপুর পুরসভা, সাংসদ পাশে দাঁড়ানোয় সমস্যার সমাধান হল। মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, বিষয়টি অভিভাবকদের তরফে জানানো হয়। আমরা সাংসদকে বিষয়টি জানাই। সাংসদ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় পড়ুয়াদের উপকার হল। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছেন। পড়ুয়াদের পাশে পুরসভা সবসময় থাকবে। অপরদিকে আলিগঞ্জ আরআরবি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুজাতা গোস্বামী বলেন, এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দেশিকা হাতে আসেনি। শিক্ষাদপ্তর যা নির্দেশিকা দেবে সেভাবেই চলব।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিগঞ্জ আরআরবি বিদ্যালয়ে দু›টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। একটি সরকারি, অপরটি বেসরকারি। দু›টি স্কুলেই শতাধিক পড়ুয়া রয়েছে। প্রতিবছর নিয়ম অনুসারে দু›টি প্রাইমারি স্কুলের পড়ুয়ারা চতুর্থ শ্রেণি থেকে হাই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। কিন্তু অভিভাবকদের অভিযোগ, উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে বেসরকারি স্কুলের বেশকিছু ছাত্রীকে ভর্তি নিতে চায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। আসন সংখ্যা সীমিত বলেই এই পদক্ষেপ বলেও অভিভাবকদের জানানো হয়। এরপর মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খানের কাছে অভিযোগ জানান অভিভাবকরা। পুরসভার চেয়ারম্যান বিষয়টি জানান সাংসদকে। এরপর সাংসদ শিক্ষামন্ত্রীকে জানালে সমস্যার সমাধান হয়।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি প্রাইমারি স্কুলের সব পড়ুয়াকেই ভর্তি নেওয়া হয়। তবে বেসরকারি স্কুলের ৬০ জনকে ভর্তি নিলেও, বাকিদের ভর্তি নিতে চায়নি স্কুল। স্কুলের এই সিদ্ধান্তে অখুশি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সুব্রত সরকার বলেন, ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে আমি এই সিস্টেমের বিরোধিতা করেছিলাম। আমার বক্তব্য ছিল, সরকারি নির্দেশ মেনেই চলতে হবে। আমিও প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেন ভর্তি নেওয়া হবে না। এক পড়ুয়ার অভিভাবক মদন ঘোড়াই ফেরিওয়ালার কাজ করেন। তাঁর মেয়ে শ্রীপর্ণা বেসরকারি প্রাথমিক স্কুলের ছাত্রী। তিনি বলেন, মেয়েকে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি নেয়নি স্কুল। খুবই সমস্যায় পড়েছিলাম। সাংসদ, শিক্ষামন্ত্রী ও পুরসভাকে ধন্যবাদ।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি প্রাইমারি স্কুলের সব পড়ুয়াকেই ভর্তি নেওয়া হয়। তবে বেসরকারি স্কুলের ৬০ জনকে ভর্তি নিলেও, বাকিদের ভর্তি নিতে চায়নি স্কুল। স্কুলের এই সিদ্ধান্তে অখুশি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সুব্রত সরকার বলেন, ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে আমি এই সিস্টেমের বিরোধিতা করেছিলাম। আমার বক্তব্য ছিল, সরকারি নির্দেশ মেনেই চলতে হবে। আমিও প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেন ভর্তি নেওয়া হবে না। এক পড়ুয়ার অভিভাবক মদন ঘোড়াই ফেরিওয়ালার কাজ করেন। তাঁর মেয়ে শ্রীপর্ণা বেসরকারি প্রাথমিক স্কুলের ছাত্রী। তিনি বলেন, মেয়েকে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি নেয়নি স্কুল। খুবই সমস্যায় পড়েছিলাম। সাংসদ, শিক্ষামন্ত্রী ও পুরসভাকে ধন্যবাদ।



