নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: অবৈধভাবে জমির রেকর্ড পরিবর্তনের কাজ করা থেকে ‘টেকস্যাভি’ হয়ে উঠেছিল চোপড়ার নাজমুল ইসলাম। আর সেই পারদর্শিতাকে কাজে লাগিয়েই বাংলার শিক্ষা পোর্টালে গিয়ে ট্যাবের টাকা হাতানোর কাজ শুরু করে সে। ট্যাবকাণ্ডের মূলমাথা তথা তার শ্যালকের সঙ্গে হাত মিলিয়েই মোটা টাকা হাতিয় নেয় ধৃত যুবক নাজমুল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছে কালীগঞ্জ থানার পুলিস। সেই সঙ্গে মূল অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সে এখনও পুলিসের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে, তদন্তকারীদের আশা খুব শীঘ্রই মূল অভিযুক্ত ধরা পড়বে।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার ডিএসপি মত্তাকিনুর রহমান বলেন, আমরা জিজ্ঞাসাবাদ জারি রেখেছি। ট্যাবের টাকা হাতানো নিয়ে যে জালিয়াতি করা হয়েছে তার বিভিন্ন দিক আমার খতিয়ে দেখছি। ধৃত নাজমুল প্রযুক্তির দিক থেকে পারদর্শী বলে আমরা জানতে পেরেছি।
উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসের শেষের দিকে কালীগঞ্জ থানার বসরখোলা হাইস্কুলের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। যার মধ্যে নাজমুল অন্যতম। সে পোর্টালে গিয়ে পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যকাউন্ট নম্বর পরিবর্তন করেছিল।
জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পারে, নাজমুল উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। তারপর থেকে সে অবৈধভাবে জমির রেকর্ড পরিবর্তনের কাজ করে চোপড়া এলাকায়। অসাধু উপায়ে ভালো টাকা উপার্জন করত সে। বাবার হাত ধরেই এই কাজে প্রবেশ করেছিল নাজমুল। সেখান থেকে ক্রমশ প্রযুক্তির দিক থেকে পারদর্শী হয়ে ওঠে সে।
উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসের শেষের দিকে কালীগঞ্জ থানার বসরখোলা হাইস্কুলের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। যার মধ্যে নাজমুল অন্যতম। সে পোর্টালে গিয়ে পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যকাউন্ট নম্বর পরিবর্তন করেছিল।
জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পারে, নাজমুল উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। তারপর থেকে সে অবৈধভাবে জমির রেকর্ড পরিবর্তনের কাজ করে চোপড়া এলাকায়। অসাধু উপায়ে ভালো টাকা উপার্জন করত সে। বাবার হাত ধরেই এই কাজে প্রবেশ করেছিল নাজমুল। সেখান থেকে ক্রমশ প্রযুক্তির দিক থেকে পারদর্শী হয়ে ওঠে সে।



