সংবাদদাতা, কাঁথি: জমির মালিকানা ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। তাই একটি গরিব পরিবারকে কয়েকমাস ধরে সামাজিক বয়কট করেছে গ্রামের কয়েকজন মাতব্বর। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল এগরা-১ ব্লকের বরিদা পঞ্চায়েতের বর্তনা এলাকায়। বয়কটের জেরে বোরো চাষের মরশুমে জমিতে জল পাচ্ছে না ওই দরিদ্র কৃষক পরিবার। তাঁরা এবিষয়ে বিডিও, মহকুমা শাসক, এমনকী জেলাশাসকের কাছেও অভিযোগ জানিয়েছেন। তা সত্ত্বেও কোনও সুরাহা হয়নি। বিডিও দুর্গাপ্রসাদ ঘোষ বলেন, বিষয়টি অবশ্যই খোঁজ নিয়ে দেখব। পদক্ষেপ করা হবে।
Advertisement
ছবিরানি মাইতির বিশেষভাবে সক্ষম বোন মারা যাওয়ার আগে তাঁকে পাঁচ ডেসিমল জায়গা দিয়ে যান। সেই জায়গা নিয়ে ছবিদেবীর সঙ্গে বিবাদে জড়ায় শাসকদলের স্থানীয় এক নেতা। অভিযোগ, ওই নেতা ও তার অনুগামীরা জমির মালিকানা ছেড়ে দেওয়ার জন্য ছবিদেবীর উপর চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু, তাতে রাজি না হওয়ায় ছবিদেবীর পরিবারকে সামাজিক বয়কট করা হয়েছে। এর আগে একবার বিডিও ও পুলিসের উদ্যোগে উভয়পক্ষকে বসিয়ে আলোচনা করেছিলেন। বয়কট তোলার নির্দেশও দিয়েছিলেন। তারপরও সমাধান হয়নি। উল্টে ওই পরিবারকে ফের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ।
ছবিদেবী বলেন, বহুবার নানা জায়গায় অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। আমাদের গ্রামের লোকদের সঙ্গে মিশতে দেওয়া হয় না। এলাকায় পুজো, মেলা সহ কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেওয়া হয় না। এবার চাষের জমিতে জল না পেলে পুরো পরিবার স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ করতে বাধ্য হব।
এবিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান সিদ্ধেশ্বর বেরা বলেন, এর আগে একবার বিডিওর উপস্থিতিতে সমস্যার সমাধান হয়েছিল। নতুন করে সমস্যার খবর পাইনি। তবে চাষের জমিতে জল দিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখে পঞ্চায়েতের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা দেখা হবে।
ছবিদেবী বলেন, বহুবার নানা জায়গায় অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। আমাদের গ্রামের লোকদের সঙ্গে মিশতে দেওয়া হয় না। এলাকায় পুজো, মেলা সহ কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেওয়া হয় না। এবার চাষের জমিতে জল না পেলে পুরো পরিবার স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ করতে বাধ্য হব।
এবিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান সিদ্ধেশ্বর বেরা বলেন, এর আগে একবার বিডিওর উপস্থিতিতে সমস্যার সমাধান হয়েছিল। নতুন করে সমস্যার খবর পাইনি। তবে চাষের জমিতে জল দিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখে পঞ্চায়েতের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা দেখা হবে।



