নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: প্রকাশ্য সভা থেকে কার্যত ‘খুনের’ হুমকি দিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ‘জমি দখল’ করলে মালিকের পা ভাঙার পাশাপাশি ও গলা কেটে দেওয়ার নিদান দিয়েছেন তিনি! তৃণমূল নেতার এই ‘হুমকি’র ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় (যদিও এর সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান)। এই হুমকির পর থানা ও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আতঙ্কিত জমি মালিক তারক শিকদার।
Advertisement
বারাসত ১ নম্বর ব্লকের পশ্চিম খিলকাপুর পঞ্চায়েতের নেতাজিপল্লিতে রয়েছে ২৩ কাটা একটি জমি। জমির দাগ নম্বর ১২৯। এই জমি সম্প্রতি কিনেছেন নেতাজিপল্লির বাসিন্দা তারক শিকদার। জমির মালিকানা নিয়ে কিছু সমস্যার কারণে বারাসত আদালতে মামলা চলছে। জমির মালিক তারক শিকদার এই জমিতে একটি মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছেন। কিন্তু পঞ্চায়েত সদস্য কার্তিক মণ্ডল থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা চাইছেন, সেখানে একটি হাইস্কুল হোক। এনিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই তারক শিকদারের সঙ্গে বিরোধ চলছে পঞ্চায়েত সদস্যের। সম্প্রতি, গ্রামবাসীরা এ নিয়ে সভাও করেন। সেই সভায় পঞ্চায়েত সদস্য ছাড়াও একাধিক জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ, এই সভায় দাঁড়িয়ে জমির মালিকের বিরুদ্ধে কার্যত খুনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্য কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল। সভায় তিনি বলেন, ওই জমিতে স্কুল হবে। জমি কেউ দখল নিতে এলে মেরে তাঁর পা ভেঙে দেওয়া হবে। গলা নামিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। কিন্তু হাইস্কুল নেই। জমিতে হাইস্কুল হোক, এটা স্থানীয়দের দাবি। জমির মালিকানা নিয়ে মামলা চলছে কোর্টে। তারমধ্যেই কীভাবে জমি কিনতে পারেন, তা নিয়েও আমার প্রশ্ন। তবে, পা ভেঙে দেওয়া বা গলা নামিয়ে দেওয়ার কথা আমি বলিনি। বলেছি, হাইস্কুল ছাড়া অন্য কিছু করার জন্য জমি দখল করতে দেব না।
এদিকে জমির মালিক তারক শিকদার বলেন, সব কাগজ দেখেই আমি জমি কিনেছি। ওখানে মার্কেট করব। হাইস্কুলের পক্ষেও আমি। ব্যক্তিগত জমিতে হাইস্কুল হতে পারে না। তৃণমূল নেতার এহেন মন্তব্য অসাংবিধানিক।
এদিকে জমির মালিক তারক শিকদার বলেন, সব কাগজ দেখেই আমি জমি কিনেছি। ওখানে মার্কেট করব। হাইস্কুলের পক্ষেও আমি। ব্যক্তিগত জমিতে হাইস্কুল হতে পারে না। তৃণমূল নেতার এহেন মন্তব্য অসাংবিধানিক।



