নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও কলকাতা: রেশন দুর্নীতি মামলায় আগে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এবার জামিন পেলেন আনিসুর রহমান বা বিদেশ। জ্যোতিপ্রিয়র মতোই তাঁর ক্ষেত্রেও কোনও অভিযোগ এখনও প্রমাণ করতে পারেনি ইডি। এদিকে, প্রায় ছ’মাস পরে দেগঙ্গার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিদেশ জেল থেকে মুক্তি পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত কর্মীরা। বিভিন্ন এলাকায় তাঁদের সেই উল্লাস নজরে পড়েছে। চলছে বাজি ফাটানো। শুধু তাই নয়, তাঁর সঙ্গে কে কতটা ঘনিষ্ঠ, সমাজ মাধ্যমে বিদেশের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তা তুলে ধরতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি বিদেশের ছবি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে একাধিক ভিডিও।
Advertisement
রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ইডি হেফাজতে গিয়েছিলেন। গত সপ্তাহেই তিনি ছাড়া পেয়েছেন। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও সম্পর্কে আত্মীয় বাকিবুরকে জেরা করেই উঠে আসে বিদেশের নাম। এরপর ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি। যদিও কোনও অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি এখনও। বুধবার সকাল ১১টায় নগর দায়রা আদালতের নির্দেশে জামিন হয় বিদেশের। ৫০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড-সহ শর্তসাপেক্ষে জামিন পান তিনি। তবে, তাঁকে পাসপোর্ট জমা রাখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে যে কোনও সময়ে তদন্তকারীরা ডাকলে হাজিরা দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটিও শুনানিতেও তাঁকে উপস্থিত থাকার শর্ত দিয়েছে আদালত।
এদিকে, এই রায় ঘোষণার পরই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে বিদেশকে নিয়ে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। এলাকায় টাঙানো হয় বিদেশের ছবি। মাইকে বাজতে থাকে ‘খেলা হবে’ গান। ফাটতে শুরু করে বাজি। চলে মিষ্টি বিলি। সন্ধ্যায় এলাকা আলো দিয়ে সাজানো হয়। সমাজমাধ্যমে কর্মীরা লিখছেন, ‘যুবরাজ তোমায় স্বাগতম’, কেউ বা লিখছেন ‘দেগঙ্গার উন্নয়ন ইজ ব্যাক।’ হাবড়ার কিছু কর্মী লিখছেন ‘দাদার অপেক্ষায়!’ এনিয়ে দেগঙ্গার তৃণমূল নেতা সুব্রত বসু (কৃষ্ণ) বলেন, এটা বিজেপির চক্রান্ত। উনি যে সৎ মানুষ, তা প্রমাণ হল। রাজনৈতিকভাবে ওঁকে ফাঁসানো হয়েছিল।
এদিকে, এই রায় ঘোষণার পরই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে বিদেশকে নিয়ে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। এলাকায় টাঙানো হয় বিদেশের ছবি। মাইকে বাজতে থাকে ‘খেলা হবে’ গান। ফাটতে শুরু করে বাজি। চলে মিষ্টি বিলি। সন্ধ্যায় এলাকা আলো দিয়ে সাজানো হয়। সমাজমাধ্যমে কর্মীরা লিখছেন, ‘যুবরাজ তোমায় স্বাগতম’, কেউ বা লিখছেন ‘দেগঙ্গার উন্নয়ন ইজ ব্যাক।’ হাবড়ার কিছু কর্মী লিখছেন ‘দাদার অপেক্ষায়!’ এনিয়ে দেগঙ্গার তৃণমূল নেতা সুব্রত বসু (কৃষ্ণ) বলেন, এটা বিজেপির চক্রান্ত। উনি যে সৎ মানুষ, তা প্রমাণ হল। রাজনৈতিকভাবে ওঁকে ফাঁসানো হয়েছিল।



