ভুবনেশ্বর: নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে বেশ কিছুদিন জেলে কাটাতে হয়েছিল। তারপর জামিনে ছাড়া পেয়ে সুযোগ বুঝে নির্যাতিতা খুন করল সে। ওড়িশার সুন্দরগড় জেলার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক কুনু কিষাণ ওই কিশোরীকে অপহরণ করে। তারপর গলা কেটে তাকে খুন করে সে। প্রমাণ লোপাটের জন্য শেষপর্যন্ত কিশোরীর দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে নদীর জলে ভাসিয়ে দেয় কুনু। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ও তার এক সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
Advertisement
বুধবার পুলিস জানিয়েছে, গত বছরের আগস্টে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল কুনুকে। গত বছরেরই ডিসেম্বর মাসে সে জামিন পেয়েছিল। তারপর বছরখানেক চুপ থাকার পর চলতি বছরের ডিসেম্বরে সুযোগ বুঝে নির্যাতিতাকে খুন করল সে।
ঝড়সুখুদার পুলিস সুপার পারমার স্মিত পুরুষোত্তমদাস বলেন, ‘গত ৭ ডিসেম্বর ওই নাবালিকার পরিবারের তরফে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তার সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু হয়েছিল। রাস্তার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায়, ওই নাবালিকা দুই ব্যক্তির সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছে।’
তদন্তকারী অফিসাররা জানান, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানা যায় যে, অভিযুক্ত কুনু সুন্দরগড়ে রয়েছে। অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের কথা স্বীকার করে নেয়।
অভিযুক্ত পুলিসকে জানিয়েছে, অপহরণের পর কিশোরীকে ১৪৩ নম্বর জাতীয় সড়কের শুনশান জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সেখানেই ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দেয় তারা। পরে দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ব্রাহ্মণী নদীর তারকেরা নালি ও বালুঘাটে ফেলে দেয় কুনু ও তার সঙ্গী।
ঝড়সুখুদার পুলিস সুপার পারমার স্মিত পুরুষোত্তমদাস বলেন, ‘গত ৭ ডিসেম্বর ওই নাবালিকার পরিবারের তরফে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তার সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু হয়েছিল। রাস্তার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায়, ওই নাবালিকা দুই ব্যক্তির সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছে।’
তদন্তকারী অফিসাররা জানান, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানা যায় যে, অভিযুক্ত কুনু সুন্দরগড়ে রয়েছে। অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের কথা স্বীকার করে নেয়।
অভিযুক্ত পুলিসকে জানিয়েছে, অপহরণের পর কিশোরীকে ১৪৩ নম্বর জাতীয় সড়কের শুনশান জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সেখানেই ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দেয় তারা। পরে দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ব্রাহ্মণী নদীর তারকেরা নালি ও বালুঘাটে ফেলে দেয় কুনু ও তার সঙ্গী।



