নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: বর্ষা এলে মজে যাওয়া বাগজোলা খাল উপচে পড়ে। ফলে আশপাশের একাধিক ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে যায়। প্রতিবছর এই জল-যন্ত্রণা ফিরে আসে খাল লাগোয়া দক্ষিণ দমদমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে। দীর্ঘ দিনের সমস্যা মেটাতে এবার উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। প্রথম দফায় দক্ষিণ দমদমের পাঁচটি ওয়ার্ডে এ কাজ হবে বলে জানা গিয়েছে। সমস্যা সমাধানে সাড়ে ছ’কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ওই টাকায় লকগেট তৈরির পাশাপাশি পাম্পিং স্টেশন তৈরি হবে। খালে জল বাড়লে ড্রেনের মুখ লকগেট ফেলে আটকে দেওয়ার পাশাপাশি ওয়ার্ডের জমা জল পাম্পিং স্টেশনের মাধ্যমে খালে ফেলার পরিকল্পনা হয়েছে। এ কাজ হলে উপকৃত হবে কয়েক লক্ষ মানুষ। এই খবর জানার পর শহরবাসী আশ্বস্ত।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বাগজোলা খাল নাব্যতা হারিয়েছে। এছাড়া রোজই সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে শহরের মধ্যে থাকা জলাভূমির। বর্ষা হলে জল বেরনোর জায়গা মিলছে না। ফলে প্রতিনিয়ত জলমগ্ন হওয়ার সমস্যা বেড়েই চলেছে দক্ষিণ দমদমে। বাগজোলা খাল লাগোয়া ওয়ার্ডগুলিতে এই সমস্যা জটিল আকার ধারণ করেছে। প্রত্যেক বছর নতুন নতুন এলাকা জলমগ্ন হওয়ার তালিকায় ঢুকে পড়ছে। যেখানে গোড়ালি সমান জল জমত সেখানে এখন উঠছে হাঁটুর উপর জল।
এ সমস্যা সমাধানে শুধুমাত্র বাগজোলা খাল সংস্কার করলেই হবে না। তাই পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা নতুন পরিকল্পনা করেন। ওয়ার্ডগুলি থেকে যে ড্রেনগুলি বাগজোলা খালে পড়ছে সেগুলিতে লকগেট লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। এছাড়া মতুন পাম্পিং স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা হয়। সম্প্রতি নগরোন্নয়ন দপ্তর এ শহরের এক, দুই ,পাঁচ, ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে পাম্পিং স্টেশন ও লকগেট তৈরির জন্য ছ’কোটি ৫৬ লক্ষ ৬৫হাজার টাকার অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে খরচ হবে এক কোটিরও বেশি টাকা। পুরসভার সিআইসি মৃন্ময় দাস বলেন, ‘বর্ষার সময় বাগজোলার জল বাড়লে আশপাশের ওয়ার্ডে জল যন্ত্রণা চরম আকার নেয়। খালের নোংরা জল রাস্তা ও ঘরে উঠে আসে। সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। সে কারণে খালের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে এমন ড্রেনে লকগেট বসানোর ও জমা জল বের করার জন্য পাম্পিং স্টেশন জরুরি ছিল। প্রাথমিকভাবে শহরের পাঁচটি ওয়ার্ডে ওই কাজের জন্য আর্থিক অনুমোদন হয়েছে। আগামী দিনে বাকি ওয়ার্ডগুলিতেও এই কাজ হবে।’
এ সমস্যা সমাধানে শুধুমাত্র বাগজোলা খাল সংস্কার করলেই হবে না। তাই পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা নতুন পরিকল্পনা করেন। ওয়ার্ডগুলি থেকে যে ড্রেনগুলি বাগজোলা খালে পড়ছে সেগুলিতে লকগেট লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। এছাড়া মতুন পাম্পিং স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা হয়। সম্প্রতি নগরোন্নয়ন দপ্তর এ শহরের এক, দুই ,পাঁচ, ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে পাম্পিং স্টেশন ও লকগেট তৈরির জন্য ছ’কোটি ৫৬ লক্ষ ৬৫হাজার টাকার অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে খরচ হবে এক কোটিরও বেশি টাকা। পুরসভার সিআইসি মৃন্ময় দাস বলেন, ‘বর্ষার সময় বাগজোলার জল বাড়লে আশপাশের ওয়ার্ডে জল যন্ত্রণা চরম আকার নেয়। খালের নোংরা জল রাস্তা ও ঘরে উঠে আসে। সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। সে কারণে খালের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে এমন ড্রেনে লকগেট বসানোর ও জমা জল বের করার জন্য পাম্পিং স্টেশন জরুরি ছিল। প্রাথমিকভাবে শহরের পাঁচটি ওয়ার্ডে ওই কাজের জন্য আর্থিক অনুমোদন হয়েছে। আগামী দিনে বাকি ওয়ার্ডগুলিতেও এই কাজ হবে।’



