সংবাদদাতা, শীতলকুচি: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে চাকরির দাবিতে তালা ঝুলিয়ে দিলেন জমিদাতারা। সোমবার শীতলকুচি ব্লকের বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এমনই ঘটনা ঘটে। জমিদাতাদের দাবি, ব্লকজুড়ে ৩৪টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলানো হয়েছে। এদিন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার দেওয়ার পর একে একে কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে দেন জামিদাতারা। এরপর ব্লকের ছোট শালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পেটলা নেপড়া গ্রামে ২৮৭ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে বৈঠক করেন তাঁরা।
Advertisement
এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে সুসংহত শিশুবিকাশ প্রকল্পের কোচবিহার জেলা আধিকারিক হরেকৃষ্ণ রায় বলেন, এ বিষয়ে প্রকল্পের শীতলকুচি ব্লক আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও জামিদাতাদের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়েছে। তাঁদের দাবি খতিয়ে দেখা হবে। কোনওভাবেই শিশুদের খাবার বন্ধ রাখা যাবে না।
এ বিষয়ে ছোট শালবাড়ি পঞ্চায়েতের সামসুল হক নামে এক জমিদাতা বলেন, আমার স্ত্রী নাজিরা বিবি প্রায় ১৪ বছর ধরে ওই কেন্দ্রে বিনা পারিশ্রমিকে রান্নার কাজ করে আসছেন। তখন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সহায়িকা ছিলেন না। পরবর্তীতে আমাদের বলা হয় জমি দিতে। সেসময় আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নিয়োগ হলে সহায়িকার কাজ দেওয়া হবে। তাঁর সংযোজন, কয়েকমাস আগে ব্লকের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে কর্মী ও সহায়িকা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। পরীক্ষা হয়, সম্প্রতি তার ফল প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু আমাদের বিষয়টি নিয়ে আজও কোনও পদক্ষেপ করা হল না। এ কারণেই আমরা ৩৪ জন মামলাকারী এদিন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেগুলিতে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। দাবি না পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওই কেন্দ্রগুলির তালা খুলব না। একই বক্তব্য, ভাঐরথানা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩০ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জমিদাতা মাম্পি সরকার ও ছোট শালবাড়ি পঞ্চায়েতের ২৮৫ নম্বর কেন্দ্রের জমিদাতা পরিবারের সদস্য সাবানা বিবির।
যদিও বিষয়টি নিয়ে শীতলকুচির সিডিপিও প্রীতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৩৪টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলানো হয়েছে এরকম খবর আমার কাছে নেই। সাতটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীরা আমাকে লিখিত আকারে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। সবটাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে ছোট শালবাড়ি পঞ্চায়েতের সামসুল হক নামে এক জমিদাতা বলেন, আমার স্ত্রী নাজিরা বিবি প্রায় ১৪ বছর ধরে ওই কেন্দ্রে বিনা পারিশ্রমিকে রান্নার কাজ করে আসছেন। তখন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সহায়িকা ছিলেন না। পরবর্তীতে আমাদের বলা হয় জমি দিতে। সেসময় আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নিয়োগ হলে সহায়িকার কাজ দেওয়া হবে। তাঁর সংযোজন, কয়েকমাস আগে ব্লকের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে কর্মী ও সহায়িকা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। পরীক্ষা হয়, সম্প্রতি তার ফল প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু আমাদের বিষয়টি নিয়ে আজও কোনও পদক্ষেপ করা হল না। এ কারণেই আমরা ৩৪ জন মামলাকারী এদিন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেগুলিতে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। দাবি না পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওই কেন্দ্রগুলির তালা খুলব না। একই বক্তব্য, ভাঐরথানা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩০ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জমিদাতা মাম্পি সরকার ও ছোট শালবাড়ি পঞ্চায়েতের ২৮৫ নম্বর কেন্দ্রের জমিদাতা পরিবারের সদস্য সাবানা বিবির।
যদিও বিষয়টি নিয়ে শীতলকুচির সিডিপিও প্রীতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৩৪টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলানো হয়েছে এরকম খবর আমার কাছে নেই। সাতটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীরা আমাকে লিখিত আকারে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। সবটাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।



