নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কায়দা করে জলাশয়কে ভিটে জমিতে পরিবর্তন করে বিশাল এক পুকুর বুজিয়ে ফেলা হয়েছে। আইন বাঁচাতে তার পরিবর্তে এখন চাষের জমিতে জল ঢেলে নকল পুকুর বানানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন ওই পুকুরের মালিক। ঘটনাটি ঘটেছে বহরমপুর পুরসভার মধুপুর এলাকায়। এই ঘটনায় প্রতিবাদ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পুকুর নিয়ে জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।
Advertisement
শর্ত সাপেক্ষে সমপরিমাণ একটি পুকুর একই মৌজায় তৈরি করে দেবেন বলে আদালতকে জানিয়ে দেন ওই মালিক। তবে এলাকাবাসী অভিযোগ, একই মৌজাতে তো নয়ই, ওই ব্যক্তি নতুন পুকুর তৈরি করেছেন ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে কাশিমবাজারে। তাও সেটা কোনও পুকুর নয়। আয়তনেও মধুপুরের পুকুর থেকে ছোট একটি নিচু জমিতে জল ঢেলে পুকুর বানানোর চেষ্টা চলছে। সেখানে দৈনিক পাম্প বসিয়ে জল সেচ দিয়ে পুকুর তৈরির মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। এই ঘটনা খতিয়ে দেখতে এসে চোখ কপালে উঠেছে আধিকারিকদের। যদিও ওই পুকুরের মালিক বলেন, এটা আদালতের বিচারাধীন বিষয়। এখন এই বিষয়ে আমি কিছু বলব না।
কয়েকদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্টে এই বিষয়টির শুনানি হয়। বিচারপতি সব দেখেশুনে উভয় পক্ষের কথায় ভরসা না রেখে ফয়সালার জন্য পুরসভা ও ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরকে আবার সরেজমিনে পরিদর্শন করে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে সেই নির্দেশ মতো বুধবার ঘটনাস্থলে আসেন ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর এবং পুরসভার আধিকারিকরা।
বহরমপুর পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার মণিমোহন চট্টোপাধ্যায় বলেন, আদালতের নির্দেশমতো জয়েন্ট ইন্সপেকশন করা হল। যেহেতু এটা বিচারাধীন বিষয়, তাই আমরা এই ঘটনাস্থলে এসে খতিয়ে দেখে একটি রিপোর্ট জমা করব। তারপর আদালত যা নির্দেশ দেবে, সেইমতো ব্যবস্থা নেব।
ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আদালতের নির্দেশমতো আমরা ভিজিট করলাম। একটা রিপোর্ট লিখিত আকারে পেশ করব।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রবীর ঘোষ বলেন, পুকুরটি ১০০ বছরের বেশি পুরনো। সেই পুকুর বুজিয়ে ফেলা হয়েছে। ওই পুকুরটির চারপাশে যে বাড়িগুলি আছে, সেখানে সত্তরোর্ধ্ব মানুষের বসবাস। আমরা সকলেই চাইছি পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরে আসুক। মধুপুরের প্রবীণ বাসিন্দা মাধুরী মিত্র বলেন, পুকুরের যিনি মালিক, তিনি পুকুরটি বুজিয়ে দিতে চাইছেন। তিনি ওখানে প্রমোটারি করবেন বলে শুনেছি। আমরা চাই পুকুরটি ফিরিয়ে দেওয়া হোক। নাহলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে।
কয়েকদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্টে এই বিষয়টির শুনানি হয়। বিচারপতি সব দেখেশুনে উভয় পক্ষের কথায় ভরসা না রেখে ফয়সালার জন্য পুরসভা ও ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরকে আবার সরেজমিনে পরিদর্শন করে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে সেই নির্দেশ মতো বুধবার ঘটনাস্থলে আসেন ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর এবং পুরসভার আধিকারিকরা।
বহরমপুর পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার মণিমোহন চট্টোপাধ্যায় বলেন, আদালতের নির্দেশমতো জয়েন্ট ইন্সপেকশন করা হল। যেহেতু এটা বিচারাধীন বিষয়, তাই আমরা এই ঘটনাস্থলে এসে খতিয়ে দেখে একটি রিপোর্ট জমা করব। তারপর আদালত যা নির্দেশ দেবে, সেইমতো ব্যবস্থা নেব।
ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আদালতের নির্দেশমতো আমরা ভিজিট করলাম। একটা রিপোর্ট লিখিত আকারে পেশ করব।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রবীর ঘোষ বলেন, পুকুরটি ১০০ বছরের বেশি পুরনো। সেই পুকুর বুজিয়ে ফেলা হয়েছে। ওই পুকুরটির চারপাশে যে বাড়িগুলি আছে, সেখানে সত্তরোর্ধ্ব মানুষের বসবাস। আমরা সকলেই চাইছি পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরে আসুক। মধুপুরের প্রবীণ বাসিন্দা মাধুরী মিত্র বলেন, পুকুরের যিনি মালিক, তিনি পুকুরটি বুজিয়ে দিতে চাইছেন। তিনি ওখানে প্রমোটারি করবেন বলে শুনেছি। আমরা চাই পুকুরটি ফিরিয়ে দেওয়া হোক। নাহলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে।



