Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জেলের ভিতরও আব্বাস, মিনারুলকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে জঙ্গি নুর ও শাদ  

জেলের ভিতরও আব্বাস, মিনারুলকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে জঙ্গি নুর ও শাদ
 
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: নিজেদের কৃতকর্মের জন্য একটুও অনুতপ্ত নয় আব্বাস আলি ও মিনারুল শেখরা। জেলের মধ্যে লাগাতার নুর ইসলামের নির্দেশমতো আচরণ করে চলেছে তারা। বহরমপুর আদালতের হাজতেও চার জঙ্গিকে একাধিকবার আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে। সেখানেও নুরকে নির্দেশ দিতে দেখা যায়। হাসিমুখে ঘাড় নাড়িয়ে তাতে সম্মতিও দেয় মিনারুল। আব্বাস ও মিনারুলরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই নুর ও শাদ রবির নির্দেশ মতোই চলছে তারা। এতদিন অসম এসটিএফ হেফাজত ও সেখানকার জেলে কাটিয়ে এবার বেঙ্গল এসটিএফের হেফাজতে এসেছে চার জঙ্গি। তবে মাস্টারমাইন্ড অসমের নুর বাংলাদেশি শাদ আব্বাস ও মিনারুলকে পুতুলের মতো ব্যবহার করছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের কাছে কতটুকু বলবে এবং কিভাবে বিভ্রান্ত করবে, সেই নির্দেশই দেওয়া হচ্ছে বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। এদিকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের জাল এ রাজ্যে কতটা বিস্তৃত হয়েছে, তা জানতে মরিয়া বেঙ্গল এসটিএফ। কীভাবে মিনারুল ও আব্বাসের মুখ থেকে আসল তথ্য পাওয়া যায়, সেটাই এখন মুখ্য বিষয়। এবিটি জঙ্গি গোষ্ঠীর প্রধান জসিমুদ্দিন রহমানির নির্দেশে ওপার বাংলা থেকে সীমান্ত পেরিয়ে এপারে আসে শাদ। প্রথমে অসম এবং তারপর হরিহরপাড়ায় এসে সংগঠন বিস্তারে কাজ শুরু করে সে। তারপর কেরলে গিয়ে অর্থ জোগাড় করার চেষ্টায় ছিল। এসব তথ্য গোয়েন্দারা আগেই পেয়েছেন। হরিহরপাড়ার বারুইপাড়া মোড়ে শাদের নির্দেশে খারিজি মাদ্রাসা খুলে মগজধোলাই করার কাজ শুরু করে আব্বাসরা। অপরদিকে, নিজের পিসতুতো ভাই সাজিবুল ইসলামকে দলে ভিড়িয়েছিল শাদ। আব্বাসকে দিয়ে তাকেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। এমনকী বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য নুর ইসলামের কাছে পাঠানো হয় সাজিবুলকে। বিদেশ থেকে আসা টাকার বিনিময়ে ধীরে ধীরে সংগঠন গোছাচ্ছিল তারা। পাশপাশি অস্ত্র কেনা ও আইডি বিস্ফোরক মজুত করা শুরু করে। 
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ