Bartaman Logo
২৯ জুলাই, ২০২৬
Advertisement
বর্তমান / রাজ্য

জেলার ২ লক্ষ ২৮ হাজার কৃষককে শস্যবিমার টাকা

বন্যা ও অতিবৃষ্টির জেরে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতি পূরণে কৃষিদপ্তরের উদ্যোগে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ২ লক্ষ ২৮ হাজার চাষিকে দেওয়া হচ্ছে শস্যবিমার টাকা।

জেলার ২ লক্ষ ২৮ হাজার কৃষককে শস্যবিমার টাকা
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বন্যা ও অতিবৃষ্টির জেরে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতি পূরণে কৃষিদপ্তরের উদ্যোগে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ২ লক্ষ ২৮ হাজার চাষিকে দেওয়া হচ্ছে শস্যবিমার টাকা। শস্যবিমা বাবদ মোট ৭৫ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। এই টাকা পেলে বন্যা কবলিত এলাকার চাষিরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। প্রশাসনের আধিকারিকদের কথায়, এবছর বন্যা পরিস্থিতি ও ডানা ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে জেলায় লক্ষাধিক বিঘার বেশি জমিতে ক্ষতি হয়েছিল। যার জেরে রেকর্ড সংখ্যক শস্যবিমার আবেদন জমা পড়েছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কেশপুর, সবং, ডেবরা, ঘাটাল সহ বেশকিছু ব্লকের চাষিরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হচ্ছেন। চাষিদের কথায়, শস্যবিমা জেলার কৃষকদের বাঁচিয়ে রেখেছে। আগে বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির পর চাষিরা সর্বস্বান্ত হয়ে যেতেন। অনেকে চাষ বন্ধ রাখতেও বাধ্য হতেন। 
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক (কৃষি) গোবিন্দ হালদার বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক চাষি উপকৃত হচ্ছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে বহু পরিবার সমস্যায় পড়েছিলেন। তাই এবারে রেকর্ড সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছিল। চাষিদের পাশে জেলা প্রশাসন সর্বদা থাকবে। 
প্রসঙ্গত,  কৃষি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ধান চাষ ছাড়াও অন্যান্য চাষ বাড়াতে জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এলাকার চাষিদের উৎসাহ দিচ্ছে জেলার কৃষিদপ্তর। ধারাবাহিকভাবে উৎসাহ দেওয়ার ফলে ইতিমধ্যেই জেলার প্রতিটি ব্লকে ধান ছাড়াও আলু ও অন্যান্য চাষের প্রবণতা বেড়েছে। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন চাষিরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে জেলায় কৃষক বন্ধু সহ নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার চাষিরা। পাশাপাশি শস্যবিমা প্রকল্প কৃষি ব্যবস্থায় নতুন দিশা দেখাচ্ছে। মূলত প্রাকৃতিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা ভরসা পাচ্ছেন। ক্ষয়ক্ষতির ভয়ে তাঁরা চাষ বন্ধ করে দিচ্ছেন না। কিংবা ক্ষয়ক্ষতির পরও ঘুরে দাঁডাতে পারছেন।   প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় মোট ৭ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৩৮টি ফর্ম জমা পড়েছিল।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ