নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত টোটোচালককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। কলকাতার নিউ টাউনকাণ্ডের মাঝেই জলপাইগুড়ির এ ঘটনা রাজ্যজুড়ে আলোড়ন ফেলেছে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে ছাত্রীকে ধর্ষণ করে হাতে প্রেগন্যান্সি কিট ধরিয়ে দেয় অভিযুক্ত। ঘটনাটি কাউকে জানালে ছাত্রীকে প্রাণে মেরে ফেলবে বলেও হুমকি দেয়। কিন্তু কোনও হুমকিতেই দমে যায়নি ছাত্রীর পরিবার। শনিবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে তারা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিস। রাতভর তল্লাশি চালিয়ে রবিবার সকালে অভিযুক্ত টোটোচালককে গ্রেপ্তার করা হয়। টোটোটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। ধৃতের বাড়ি জলপাইগুড়ির মণ্ডলঘাটে। এদিনই ধৃতকে আদালতে তোলা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিস পাঁচদিনের হেফাজতে চাইলে আদালত তাকে চারদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
Advertisement
এদিন সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি মহিলা থানায় অতিরিক্ত পুলিস সুপার (হেড কোয়ার্টার) সৌভনিক মুখোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করি। অভিযুক্ত টোটোচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে আমরা তাকে হেফাজতে পেয়েছি। ধৃতের জেরা শুরু হবে। যৌন নিগ্রহের শিকার ওই নাবালিকার ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশমতো সে জলপাইগুড়ির একটি হোমে রয়েছে। সোমবার আদালতে তার বয়ান রেকর্ড হবে। দ্রুত আমরা তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমা দেব। তদন্তকারী অফিসারকে সাহায্য করছেন দু’জন ডিএসপি এবং কোতোয়ালি থানার আইসি।
শনিবার ছাত্রীর পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়, ওই টোটোচালক মেয়েটিকে রোজই স্কুলে নিয়ে যেত। কিন্তু ঘটনার দিন ২১ জানুয়ারি সে ওই নাবালিকাকে স্কুলের পরিবর্তে অন্য রাস্তায় নিয়ে যায়। তারপর জোর করে একটি চকোলেট খাওয়ায়। ওই চকোলেট খাওয়ার পর মেয়েটি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তখনই তিস্তাপাড়ে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে । এদিন অবশ্য অতিরিক্ত পুলিস সুপার এনিয়ে কিছু বলতে চাননি। প্রশ্নের উত্তরে তিনি শুধু বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এনিয়ে কিছু বলা যাবে না। ছাত্রীর স্কুলব্যাগ থেকে প্রেগন্যান্সি কিট পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি অতিরিক্ত পুলিস সুপার। তিনি বলেন, সবটাই তদন্তসাপেক্ষ। এটুকু বলতে পারি, পুলিস বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার আট ঘণ্টার মধ্যে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাকে গ্রেপ্তার করেছি। তদন্তের স্বার্থে শহরের সিসিক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সেজন্য গার্লস স্কুলগুলিতে সচেতনতা প্রচারে আরও জোর দেওয়া হবে বলে এদিন জানান অতিরিক্ত পুলিস সুপার।
শনিবার ছাত্রীর পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়, ওই টোটোচালক মেয়েটিকে রোজই স্কুলে নিয়ে যেত। কিন্তু ঘটনার দিন ২১ জানুয়ারি সে ওই নাবালিকাকে স্কুলের পরিবর্তে অন্য রাস্তায় নিয়ে যায়। তারপর জোর করে একটি চকোলেট খাওয়ায়। ওই চকোলেট খাওয়ার পর মেয়েটি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তখনই তিস্তাপাড়ে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে । এদিন অবশ্য অতিরিক্ত পুলিস সুপার এনিয়ে কিছু বলতে চাননি। প্রশ্নের উত্তরে তিনি শুধু বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এনিয়ে কিছু বলা যাবে না। ছাত্রীর স্কুলব্যাগ থেকে প্রেগন্যান্সি কিট পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি অতিরিক্ত পুলিস সুপার। তিনি বলেন, সবটাই তদন্তসাপেক্ষ। এটুকু বলতে পারি, পুলিস বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার আট ঘণ্টার মধ্যে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাকে গ্রেপ্তার করেছি। তদন্তের স্বার্থে শহরের সিসিক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সেজন্য গার্লস স্কুলগুলিতে সচেতনতা প্রচারে আরও জোর দেওয়া হবে বলে এদিন জানান অতিরিক্ত পুলিস সুপার।



