নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শহরে যানজট সমস্যা সমাধানে পেইড পার্কিং জোন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে পুরসভা। কিন্তু এর বিরোধিতায় এবার আন্দোলনে নামল সিপিএম। বুধবার তারা এনিয়ে মিছিল করে মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়। কোনওভাবেই ওই পার্কিং চালু করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
Advertisement
সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক পীযূষ মিশ্রের বক্তব্য, জলপাইগুড়ি শহরে একের পর এক বাণিজ্যিক ভবন তৈরি হচ্ছে। সেগুলির নীচে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকা দরকার। কিন্তু তা হচ্ছে না। চোখের সামনে সেসব দেখেও হাতগুটিয়ে বসে থাকছে পুরসভা। আর অপরিকল্পিতভাবে শহরে পেইড পার্কিং জোন চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা তাঁরা হতে দেবেন না।
একইসঙ্গে সঠিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে শহর থেকে একজন ব্যবসায়ীকেও সরানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে সিপিএমের তরফে। দিনবাজারের ব্যবসায়ীদের পাশে থাকারও আশ্বাস দিয়েছে তারা। সিপিএমের জেলা সম্পাদকের বক্তব্য, দিনবাজারে মাছ ও সব্জি ব্যবসায়ীদের জন্য বাণিজ্যিক পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। সবাই যাতে একতলায় বসে ব্যবসা করতে পারেন, তার উদ্যোগ নিতে হবে। এখন দিনবাজারে যেভাবে ব্যবসায়ীদের যেতে বাধ্য করা হচ্ছে, সেটি বাণিজ্যিক পরিকাঠামো নয়, আসলে কয়েকতলা বিশিষ্ট ভবন। সেটি ব্যবসার জন্য উপযুক্ত নয়। আম্রুত প্রকল্পে তিস্তা থেকে জল তুলে পরিশোধনের পর তা শহরবাসীর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্প এখনও চালু হল না কেন, তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন সিপিএম নেতারা। দলের জেলা সম্পাদক বলেন, জলপাইগুড়িতে পানীয় জলের জন্য বাড়ি বাড়ি মিটার দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। আমাদের বক্তব্য, জলের জন্য কোনও মিটার দেওয়া যাবে না।এদিকে, সিপিএমের আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম দলটাই তো উঠে গিয়েছে, ওদের কথার কোনও গুরুত্ব নেই। জলপাইগুড়ি মানুষের স্বার্থে কাজ করছে পুরসভা।
একইসঙ্গে সঠিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে শহর থেকে একজন ব্যবসায়ীকেও সরানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে সিপিএমের তরফে। দিনবাজারের ব্যবসায়ীদের পাশে থাকারও আশ্বাস দিয়েছে তারা। সিপিএমের জেলা সম্পাদকের বক্তব্য, দিনবাজারে মাছ ও সব্জি ব্যবসায়ীদের জন্য বাণিজ্যিক পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। সবাই যাতে একতলায় বসে ব্যবসা করতে পারেন, তার উদ্যোগ নিতে হবে। এখন দিনবাজারে যেভাবে ব্যবসায়ীদের যেতে বাধ্য করা হচ্ছে, সেটি বাণিজ্যিক পরিকাঠামো নয়, আসলে কয়েকতলা বিশিষ্ট ভবন। সেটি ব্যবসার জন্য উপযুক্ত নয়। আম্রুত প্রকল্পে তিস্তা থেকে জল তুলে পরিশোধনের পর তা শহরবাসীর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্প এখনও চালু হল না কেন, তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন সিপিএম নেতারা। দলের জেলা সম্পাদক বলেন, জলপাইগুড়িতে পানীয় জলের জন্য বাড়ি বাড়ি মিটার দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। আমাদের বক্তব্য, জলের জন্য কোনও মিটার দেওয়া যাবে না।এদিকে, সিপিএমের আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম দলটাই তো উঠে গিয়েছে, ওদের কথার কোনও গুরুত্ব নেই। জলপাইগুড়ি মানুষের স্বার্থে কাজ করছে পুরসভা।



