নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রচারে জোর দেওয়া হলেও পরিকাঠামোর অভাবে জলপাইগুড়িতে কার্যত খুঁড়িয়ে চলছে আয়ুষ বিভাগ। অভিযোগ, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্ট নেই। ফলে একজনকে সামলাতে হচ্ছে একাধিক সেন্টার। একইসঙ্গে ফাঁকা পড়ে রয়েছে চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর বহু পদ। অভাব রয়েছে যোগ-ব্যায়াম প্রশিক্ষকেরও।
Advertisement
জেলা আয়ুষ বিভাগ সূত্রে খবর, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র মিলিয়ে জলপাইগুড়িতে আয়ুর্বেদের আটটি সেন্টার রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসক রয়েছেন চারজন। বাকি চারজনের মধ্যে তিন চিকিৎসক ডিটেলমেন্টে রয়েছেন। অর্থাৎ তাঁদের বেতন হচ্ছে জলপাইগুড়ি জেলা থেকে। কিন্তু তাঁরা রোগী দেখছেন অন্য জেলায়। এছাড়া মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন এক চিকিৎসক। আয়ুর্বেদের পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলাজুড়ে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র মিলিয়ে মোট হোমিওপ্যাথি সেন্টারের সংখ্যা ১৯টি। এরমধ্যে একটি বিশেষ সেন্টার চলে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে। অথচ চিকিৎসক রয়েছেন ১৮ জন। ডিটেলমেন্টে রয়েছেন এক চিকিৎসক। হোমিওপ্যাথি ও আয়ুর্বেদ মিলিয়ে ২৭টি সেন্টারে ফার্মাসিস্টের সংখ্যা সাতজন। এর মধ্যে পাঁচজন স্থায়ী এবং দু’জন চুক্তিভিত্তিক। ফার্মাসিস্ট না থাকায় বেশিরভাগ সেন্টারে রোগী দেখার পাশাপাশি ওষুধ তৈরি করে দিতে হয় চিকিৎসককেই।
শুধু তাই নয়, গোটা জেলায় আয়ুষ বিভাগে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী রয়েছেন মাত্র আটজন। যোগ-ব্যায়াম প্রশিক্ষক হিসেবে ১৫ জন মহিলা কাজে যোগ দিলেও এখনও পুরুষ প্রশিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। জলপাইগুড়ি জেলায় আয়ুষ হেল্থ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারের সংখ্যা ২১টি। এর মধ্যে ছ’টি সেন্টারকে মডেল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর অপ্রতুলতার জেরে পরিষেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন বিভাগের আধিকারিকদের একাংশ।
জলপাইগুড়ি জেলা আয়ুষ মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ কল্যাণ মুখোপাধ্যায় বলেন, চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর কিছুটা ঘাটতি রয়েছে ঠিকই, কিন্তু যে পরিকাঠামো রয়েছে, তার মধ্যে দিয়েই আমরা ভালো পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এবারের আয়ুষ মেলায় যথেষ্টই সাড়া পাওয়া গিয়েছে। যেসব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আয়ুষ বিভাগ চলছে, সেখানে ভেষজ উদ্যান তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে আমরা আয়ুষকে রোগীদের সামনে আরও বেশি করে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
শুধু তাই নয়, গোটা জেলায় আয়ুষ বিভাগে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী রয়েছেন মাত্র আটজন। যোগ-ব্যায়াম প্রশিক্ষক হিসেবে ১৫ জন মহিলা কাজে যোগ দিলেও এখনও পুরুষ প্রশিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। জলপাইগুড়ি জেলায় আয়ুষ হেল্থ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টারের সংখ্যা ২১টি। এর মধ্যে ছ’টি সেন্টারকে মডেল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর অপ্রতুলতার জেরে পরিষেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন বিভাগের আধিকারিকদের একাংশ।
জলপাইগুড়ি জেলা আয়ুষ মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ কল্যাণ মুখোপাধ্যায় বলেন, চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর কিছুটা ঘাটতি রয়েছে ঠিকই, কিন্তু যে পরিকাঠামো রয়েছে, তার মধ্যে দিয়েই আমরা ভালো পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এবারের আয়ুষ মেলায় যথেষ্টই সাড়া পাওয়া গিয়েছে। যেসব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আয়ুষ বিভাগ চলছে, সেখানে ভেষজ উদ্যান তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে আমরা আয়ুষকে রোগীদের সামনে আরও বেশি করে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।



