Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জেলমুক্ত বালু, আবেগ ও উচ্ছ্বাসে মেতেছেন জেলার কর্মী-সমর্থকরা

জেলমুক্ত বালু, আবেগ ও উচ্ছ্বাসে মেতেছেন জেলার কর্মী-সমর্থকরা
  • ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও কলকাতা: প্রায় ১৪ মাস পর রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় জামিনে জেল থেকে মুক্তি পেলেন হাবড়ার তৃণমূল বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু)। তিনি ছাড়া পেতেই উচ্ছ্বাসে ভাসলেন তৃণমূলের কর্মীরা। হাবড়া, বারাসত থেকে গোবরডাঙা সর্বত্রই কর্মীদের উল্লাস নজরে পড়েছে। শুধু তাই নয়, নেতা-কর্মীরা বালুর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে নতুন করে ঘনিষ্ঠতা পাতাতে চাইছেন। এদিকে, জেলা তৃণমূলের ‘চাণক্য’ বলে পরিচিত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক মুক্তি পাওয়ায় জেলার রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি হেফাজতে ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বামেদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন লড়াইয়ে মুখ। বারাসত থেকে দমদম, বনগাঁ বা বসিরহাট— দলের সঙ্কট মেটাতে ছুটে গিয়েছেন বালু। রেশন দুর্নীতি মামলায় ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন হাবড়ার বিধায়ক। হাবড়া শহরের যশোর রোডের ধারে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কার্যালয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। বুধবার তিনি ছাড়া পাওয়ার পর কার্যালয়ের আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। সামনে জ্বলে উঠেছে আলো। কর্মীদের উপস্থিতি বাড়ছে কার্যালয়ের সামনে। এখন কার্যালয়ের তালা খোলার অপেক্ষায় কর্মীরা। 
Advertisement
এদিন বালুর জামিন পাওয়ার খবর শোনামাত্র জেলা থেকে তাঁর অসংখ্য অনুগামী পৌঁছে যান প্রেসিডেন্সি জেল গেটের বাইরে। আসেন তাঁর মেয়েও। সন্ধ্যায় সমস্ত আইনি নথিপত্র খতিয়ে দেখে জেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে মুক্তি দেন। জেল থেকে বেরনোর পর সাংবাদিকরা তাঁকে নানা প্রশ্ন করলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি। সেখান থেকে জ্যোতিপ্রিয় সল্টলেকে মেয়ের বাড়িতে চলে যান। ততক্ষণে সেখানে পৌঁছে যান হাবড়া, বারাসত থেকে শুরু করে জেলার সমস্ত স্তরের নেতা-কর্মীরা। কর্মীরা ইতিমধ্যেই নেতার সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে শুরু করেছেন। বিভিন্নভাবে ছবি সাজিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হতে চাইছেন অনেকে। কেউ কেউ লিখছেন, ‘সত্যের জয় নিশ্চিত’। কেউবা লিখছেন ‘টাইগার ইজ ব্যাক।’ হাবড়ার কর্মীরা লিখছেন ‘অভিভাবকের অপেক্ষায়!’ 
এনিয়ে হাবড়া পুরসভার চেয়ারম্যান নারায়ণচন্দ্র সাহা বলেন, বোঝা যাচ্ছে, সবটাই বিজেপির চক্রান্ত। উনি যে একজন সৎ মানুষ, তার প্রমাণ হল। উনি আমাদের পথ প্রদর্শক। বামেরা তখন ক্ষমতার মধ্যগগনে। সেই সময় বাম বিরোধী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মুখ বলে পরিচিত ছিলেন উনি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ