সংবাদদাতা, কাঁথি: খেজুরির হেঁড়িয়া রেলস্টেশন যেন নেইরাজ্যের স্টেশন। এখানে পানীয় জলের ব্যবস্থা, শৌচাগার, এমনকী পর্যাপ্ত বসার আসনও নেই। যাত্রীসুরক্ষার কোনও ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। বিষয়টি নিয়ে রেলযাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
Advertisement
এই স্টেশন লাগোয়া জরারনগরে ১৯৩৮সালের ১২এপ্রিল জনসভা করেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর স্মৃতিতে জরারনগর গ্রামটি ‘সুভাষপল্লি’ হিসেবে পরিচিত। হেঁড়িয়া স্টেশনও নেতাজির নামে হোক-বহুদিন ধরে এই দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়রা। কিন্তু তা আজও মেটেনি। এলাকার বাসিন্দারা স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং সেটির নাম নেতাজির নামে রাখার দাবি তুলেছেন।
খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক বলেন, হেঁড়িয়া স্টেশনের পরিস্থিতি আমরা জানি। এনিয়ে রেলের কাছে আমি দাবিপত্র দেব। আশা করছি, তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।কাঁথির নাচিন্দা ও ভগবানপুরের দেশপ্রাণ স্টেশনের মাঝেই হেঁড়িয়া স্টেশন রয়েছে। এই স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে খেজুরি বিধানসভা ও ভগবানপুর-২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা নানা জায়গায় যান। স্টেশনে বেশ কয়েকটি বাতিস্তম্ভ থাকলেও তাতে আলো জ্বলে না। রাতে ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাস্তায় যাতায়াতেও খুব অসুবিধা হয়। অনেকক্ষেত্রে ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও থাকে।স্টেশনে আসার জন্য হেঁড়িয়া-ইটাবেড়িয়া সড়ক থেকে সংযোগকারী মোরামের রাস্তা বেহাল দশায় আছে। স্টেশনে পানীয় জল মেলে না। শৌচাগার না থাকায় বিশেষত মহিলা যাত্রীরা খুব সমস্যায় পড়েন। যাত্রীদের বসার জন্য কংক্রিটের চেয়ার থাকলেও তা সীমিত। বেশিরভাগ যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনের অপেক্ষা করতে হয়।
ভগবানপুর-২ ব্লকের হরিনাবাড়ির বাসিন্দা ভবেশ জানা, মাধাখালির লক্ষ্মীকান্ত সাহু, খেজুরির বেগুনাবাড়ি গ্রামের গণেশ জানারা জানালেন, এই স্টেশনে যাত্রী পরিষেবা বলতে কিছুই নেই। রেল কর্তৃপক্ষ স্টেশনের উন্নয়ন নিয়ে উদাসীন। অবিলম্বে এবিষয়ে পদক্ষেপ করা দরকার।
জরারনগরের বাসিন্দা তথা জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য বিমান নায়ক বলেন, স্টেশনটি নেতাজির নামে করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে রেল ও স্থানীয় বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের কাছে দরবার করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও দাবি পূরণ হয়নি।
খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক বলেন, হেঁড়িয়া স্টেশনের পরিস্থিতি আমরা জানি। এনিয়ে রেলের কাছে আমি দাবিপত্র দেব। আশা করছি, তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।কাঁথির নাচিন্দা ও ভগবানপুরের দেশপ্রাণ স্টেশনের মাঝেই হেঁড়িয়া স্টেশন রয়েছে। এই স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে খেজুরি বিধানসভা ও ভগবানপুর-২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা নানা জায়গায় যান। স্টেশনে বেশ কয়েকটি বাতিস্তম্ভ থাকলেও তাতে আলো জ্বলে না। রাতে ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাস্তায় যাতায়াতেও খুব অসুবিধা হয়। অনেকক্ষেত্রে ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও থাকে।স্টেশনে আসার জন্য হেঁড়িয়া-ইটাবেড়িয়া সড়ক থেকে সংযোগকারী মোরামের রাস্তা বেহাল দশায় আছে। স্টেশনে পানীয় জল মেলে না। শৌচাগার না থাকায় বিশেষত মহিলা যাত্রীরা খুব সমস্যায় পড়েন। যাত্রীদের বসার জন্য কংক্রিটের চেয়ার থাকলেও তা সীমিত। বেশিরভাগ যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনের অপেক্ষা করতে হয়।
ভগবানপুর-২ ব্লকের হরিনাবাড়ির বাসিন্দা ভবেশ জানা, মাধাখালির লক্ষ্মীকান্ত সাহু, খেজুরির বেগুনাবাড়ি গ্রামের গণেশ জানারা জানালেন, এই স্টেশনে যাত্রী পরিষেবা বলতে কিছুই নেই। রেল কর্তৃপক্ষ স্টেশনের উন্নয়ন নিয়ে উদাসীন। অবিলম্বে এবিষয়ে পদক্ষেপ করা দরকার।
জরারনগরের বাসিন্দা তথা জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য বিমান নায়ক বলেন, স্টেশনটি নেতাজির নামে করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে রেল ও স্থানীয় বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের কাছে দরবার করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও দাবি পূরণ হয়নি।



