সংবাদদাতা, করিমপুর: নদীয়া জেলার অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ক্রিকেট দলে সুযোগ পেয়েছে করিমপুরের মেয়ে সমৃদ্ধি প্রামাণিক। মহিলা জেলা স্পোর্টসে সে নির্বাচকদের নজর কেড়েছিল। তার ভিত্তিতেই জেলা দলে জায়গা পেয়েছে। সম্প্রতি জেলা দল ঘোষণা হয়েছে। সমৃদ্ধির এই সাফল্যে করিমপুরে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। মাঠে ও করিমপুরের বসতিপাড়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে অনেকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন।
Advertisement
করিমপুর আঞ্চলিক ক্রীড়া সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান সুজিত বিশ্বাস বলেন, ২০২২সাল থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সমৃদ্ধি নিজেকে অনেকটা তৈরি করেছে। একদিনের খেলায় অনেকবার ব্যাট হাতে ম্যাচ জিতিয়েছে। মূলত অলরাউন্ডার হলেও এখন বোলার হিসেবেই ও খেলছে। আমরা আশা করব, ওকে দেখে ক্যাম্পের অন্য খেলোয়াড়রা উৎসাহিত হবে।
মাত্র পাঁচবছর বয়সে সমৃদ্ধি ক্রিকেট খেলা শুরু করে। পাড়ায় বন্ধুদের সঙ্গেই খেলত। খেলার প্রতি মেয়ের আগ্রহ দেখে সমৃদ্ধির বাবা পেশায় স্কুলশিক্ষক সুব্রত প্রামাণিক মেয়েকে করিমপুর সিএবি ক্রিকেট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নিয়ে যান। সমৃদ্ধি এখন করিমপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। মেয়ের খেলাধুলো চর্চায় পাশে রয়েছেন বাবা-মা।
সুব্রতবাবু বলেন, আমি নিজেও একজন অ্যাথলিট ছিলাম। মেয়েও খুব ছোটবেলা থেকে স্কুল স্পোর্টসে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দৌড় প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে। খেলার প্রতি সেসময় থেকেই ওর ঝোঁক ছিল। তিনবছর আগে আমি ওকে ক্রিকেট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ভর্তি করেছি। আশা করছি, আগামী দিনে আরও ভালো খেলবে। সমৃদ্ধি বলে, জেলা দলে সুযোগ পেয়ে আমি খুব খুশি। নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। করিমপুর সিএবি ক্রিকেট প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষক অরুণ বিশ্বাস বলেন, সমৃদ্ধি প্রথম থেকেই খুব পরিশ্রমী খেলোয়াড়। ও জেলা দলে স্থান পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি। আমাদের ক্যাম্পে ১১৫জন ছেলে ও সাতজন মেয়ে ক্রিকেট প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এখানে প্রচুর সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার রয়েছে। তারা আগামী দিনে বড় জায়গায় পৌঁছতে পারে। অভিভাবকরাও মাঠে এসে ওদের খেলা দেখেন।
প্রাক্তন খেলোয়াড় প্রতীক বিশ্বাস বলেন, এখন মোবাইলে আসক্তির কারণে বহু ছেলেমেয়ে মাঠবিমুখ। সেই সময়ে আমাদের করিমপুরের সমৃদ্ধি জেলা দলে সুযোগ পাওয়ায় খুব খুশি হয়েছি। ওর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। আশা করব, আগামী দিনে আরও বেশি ছেলেমেয়ে মাঠে খেলাধুলোর অনুশীলন করবে।
মাত্র পাঁচবছর বয়সে সমৃদ্ধি ক্রিকেট খেলা শুরু করে। পাড়ায় বন্ধুদের সঙ্গেই খেলত। খেলার প্রতি মেয়ের আগ্রহ দেখে সমৃদ্ধির বাবা পেশায় স্কুলশিক্ষক সুব্রত প্রামাণিক মেয়েকে করিমপুর সিএবি ক্রিকেট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নিয়ে যান। সমৃদ্ধি এখন করিমপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। মেয়ের খেলাধুলো চর্চায় পাশে রয়েছেন বাবা-মা।
সুব্রতবাবু বলেন, আমি নিজেও একজন অ্যাথলিট ছিলাম। মেয়েও খুব ছোটবেলা থেকে স্কুল স্পোর্টসে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দৌড় প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে। খেলার প্রতি সেসময় থেকেই ওর ঝোঁক ছিল। তিনবছর আগে আমি ওকে ক্রিকেট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ভর্তি করেছি। আশা করছি, আগামী দিনে আরও ভালো খেলবে। সমৃদ্ধি বলে, জেলা দলে সুযোগ পেয়ে আমি খুব খুশি। নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। করিমপুর সিএবি ক্রিকেট প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষক অরুণ বিশ্বাস বলেন, সমৃদ্ধি প্রথম থেকেই খুব পরিশ্রমী খেলোয়াড়। ও জেলা দলে স্থান পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি। আমাদের ক্যাম্পে ১১৫জন ছেলে ও সাতজন মেয়ে ক্রিকেট প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এখানে প্রচুর সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার রয়েছে। তারা আগামী দিনে বড় জায়গায় পৌঁছতে পারে। অভিভাবকরাও মাঠে এসে ওদের খেলা দেখেন।
প্রাক্তন খেলোয়াড় প্রতীক বিশ্বাস বলেন, এখন মোবাইলে আসক্তির কারণে বহু ছেলেমেয়ে মাঠবিমুখ। সেই সময়ে আমাদের করিমপুরের সমৃদ্ধি জেলা দলে সুযোগ পাওয়ায় খুব খুশি হয়েছি। ওর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। আশা করব, আগামী দিনে আরও বেশি ছেলেমেয়ে মাঠে খেলাধুলোর অনুশীলন করবে।



