সংবাদদাতা, বহরমপুর: রসুন উঠতে শুরু করায় দাম একলাফে কেজিতে একশো টাকায় নেমে এল। রসুনের দাম কমায় কার্যত মধ্যবিত্তের হেঁশেলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সোমবার বহরমপুর সহ জেলার বিভিন্ন পাইকারি বাজারে চাষিরা সরাসরি রসুন আশি টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি করেছেন। লহুচরো আনাজ বাজারে ১০০-১১০ টাকা কেজিতে তা বিক্রি হচ্ছে। যদিও পুরাতন রসুনের দাম ২৫০-৩০০ টাকা কেজিতেই থমকে রয়েছে। নতুন রসুন উঠতে শুরু করায় পুরাতন রসুনের দিকে মানুষের ঝোঁকও কমেছে। জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জামা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদে মাত্র ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে রসুন চাষ হয়। ডোমকল মহকুমা সহ বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, বেলডাঙা ব্লকেই রসুন চাষ বেশি হয়। রানিনগর ব্লকে দু’টি রসুনের হাটও রয়েছে। হাট থেকে রাজ্যের বিভিন্ন আনাজ বাজারে রসুন রপ্তানি হয়।
Advertisement
এবার রসুনের দাম ৪০০-৪৫০ টাকা কেজি পর্যন্ত পৌঁছেছিল। গত দু’মাস মহার্ঘ রসুনের দাম ৩০০ টাকা কেজিতেই আটকে ছিল। আমিষ রান্নায় পিঁয়াজ, আদার সঙ্গে রসুনও অন্যতম উপকরণ। কিন্তু দামের কারণে বহু পরিবার রান্নায় রসুনের ব্যবহার কমিয়ে এনে সংসার খরচ সাশ্রয় করছিলেন। এমনকী মধ্যবিত্ত পরিবারের বহু অনুষ্ঠান বাড়িতেও রসুনের ব্যবহারে কমিয়ে আনা হয়েছিল। ফের মধ্যবিত্ত পরিবারে রসুনের ব্যবহার বাড়বে বলেই বিক্রেতাদের দাবি। বহরমপুর স্বর্ণময়ী সব্জি বাজারের বিক্রেতা দীনেশ মণ্ডল বলেন, মাস কয়েক দৈনিক এক কেজির বেশি রসুন বিক্রি করতে পারিনি। নতুন রসুন উঠতে শুরু করায় বিক্রি বেড়েছে।
নতুন রসুন উঠতে শুরু করায় কাঁচা রসুনের দাম এক ধাক্কায় একশো টাকায় নেমে এসেছে। পাইকারি বাজারে ভালো দাম মেলায় চাষিরা রসুন তুলতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। চাষিদের দাবি, এখন কাঁচা অবস্থাতেই রসুন তোলা হচ্ছে। ঝাঁজ, গন্ধ থাকলেও এই রসুন বাড়িতে বেশি দিন থাকবে না। গৃহস্থরা অল্প পরিমাণে কিনছেন। বহরমপুর ব্লকের নওদা পানুড়ের রসুন চাষি ইব্রাহিম বিশ্বাস ১৬ কাঠা জমিতে ভাগে রসুন চাষ করেছেন। ইব্রাহিম সাহেব বলেন, রসুনে এবার ফলন ভালো। বাজারে দাম থাকায় অল্প অল্প করে তুলতে শুরু করেছি। নওদা ব্লকের সর্বাঙ্গপুর এলাকার চাষি কৃপাসিন্ধু মণ্ডল বলেন, বহু চাষি বাড়ির ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রির জন্যও রসুন চাষ করেন। এবার রসুন চাষে ভালো আয় হবে।
নতুন রসুন উঠতে শুরু করায় কাঁচা রসুনের দাম এক ধাক্কায় একশো টাকায় নেমে এসেছে। পাইকারি বাজারে ভালো দাম মেলায় চাষিরা রসুন তুলতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। চাষিদের দাবি, এখন কাঁচা অবস্থাতেই রসুন তোলা হচ্ছে। ঝাঁজ, গন্ধ থাকলেও এই রসুন বাড়িতে বেশি দিন থাকবে না। গৃহস্থরা অল্প পরিমাণে কিনছেন। বহরমপুর ব্লকের নওদা পানুড়ের রসুন চাষি ইব্রাহিম বিশ্বাস ১৬ কাঠা জমিতে ভাগে রসুন চাষ করেছেন। ইব্রাহিম সাহেব বলেন, রসুনে এবার ফলন ভালো। বাজারে দাম থাকায় অল্প অল্প করে তুলতে শুরু করেছি। নওদা ব্লকের সর্বাঙ্গপুর এলাকার চাষি কৃপাসিন্ধু মণ্ডল বলেন, বহু চাষি বাড়ির ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রির জন্যও রসুন চাষ করেন। এবার রসুন চাষে ভালো আয় হবে।



