সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ৫৫ বছরের পুরনো উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি চিকিৎসা পরিষেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রায় একবছর হতে চলল গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজির আউটডোর পরিষেবাও বন্ধ। এই মেডিক্যালে কিছু চিকিৎসক নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত হাসপাতালে থাকেন না। আবার কেউ এই হাসপাতালে পোস্টিং পেলে আসতে চান না। অভিযোগ, একদল চিকিৎসকের এই দুই ধরনের মানসিকতার জেরে ডাক্তারের অভাবে সঙ্কটে জর্জরিত উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহদ এই সরকারি হাসপাতাল।
Advertisement
একসময় মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি ব্লকে জাঁকজমকভাবে গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি আউটডোর পরিষেবা চালু করা হয়েছিল। একজন ডাক্তার দেওয়া হয়েছিল। কিছুদিন কাজ করার পর ওই চিকিৎসক চলে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই চিকিৎসক এখানে কাজে যোগ দিলেও পরবর্তীতে তিনি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে থাকার ক্ষেত্রে অনীহা প্রকাশ করেন। তার কিছুদিন পর তাঁকে এখান থেকে বদলি করে নিয়ে যাওয়া হয়। একইভাবে কিছুদিন কাজ করে একজন কার্ডিও থোরাসিক ভাসকুলা সার্জেনও এখান থেকে চলে গিয়েছেন। প্রায় একবছর হতে চলল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি আউটডোর বন্ধ থাকার পাশাপাশি ইন্ডোর পরিষেবাও মুখ থুবড়ে পড়েছে। সেই অর্থে গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজির সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা এখানে পাচ্ছেন না রোগীরা। ডাক্তারের অভাব যেমন রয়েছে সেরকম গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি চিকিৎসার জন্য অন্যতম পরীক্ষা ব্যবস্থা এন্ডোস্কোপির পরিকাঠামোও এখানে গড়ে ওঠেনি। ব্যয়বহুল এই পরীক্ষা গরিব মানুষকে বাইরে থেকে টাকা খরচ করে করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৫৫ বছরের পুরনো এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গুরুত্বপূর্ণ অনেক চিকিৎসা পরিষেবা চালু হয়ে ওঠেনি।
হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক এই সমস্যার কথা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, একজন গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্ট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কিছুদিন কাজ করার পর এখান থেকে বদলি হয়ে যান। তারপর আর কোনও গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্ট আমরা পাইনি। ডাক্তার না থাকায় আমরা গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজির আউটডোর বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছি। সেই অর্থে গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজির স্পেশালিস্ট পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না। সুপার স্পেশালিটি ব্লকে ইন্ডোর পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক এই সমস্যার কথা মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, একজন গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্ট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কিছুদিন কাজ করার পর এখান থেকে বদলি হয়ে যান। তারপর আর কোনও গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজিস্ট আমরা পাইনি। ডাক্তার না থাকায় আমরা গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজির আউটডোর বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছি। সেই অর্থে গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজির স্পেশালিস্ট পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না। সুপার স্পেশালিটি ব্লকে ইন্ডোর পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।



