Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসক, নার্সদের পরিবারের বসবাস ৫০ বছরের পুরনো কেন্দ্রে

ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসক, নার্সদের পরিবারের বসবাস ৫০ বছরের পুরনো কেন্দ্রে
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিশ্চন্দ্রপুরের ভালুকা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভালুকা বাজার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক এবং নার্সদের কোয়ার্টারের ভগ্নদশা। পলেস্তারা খসে পড়ছে। ভেঙে পড়েছে জানালা-দরজার একাংশ। মাঝেমধ্যে ভেঙে পড়ছে ভিতরের ছাদের চাঙর। উপায় না থাকায় প্রাণ হাতেই কোয়ার্টারে বাস করছেন নার্স, ফার্মাসিস্ট, ‘সি’ এবং ‘ডি’ গ্রুপের কর্মীরা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫০ বছর পুরনো এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র। বর্ষায়  জরাজীর্ণ কোয়ার্টারগুলিতে জল পড়ার পাশাপাশি সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। প্রাণ হাতে করে পরিবার নিয়ে থাকতে বাধ্য হন কর্মীরা। বর্তমানে ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দু’জন মেডিক্যাল অফিসার, চারজন নার্সিং স্টাফ, পাঁচজন গ্রুপ ‘ডি’ কর্মী এবং একজন ফার্মাসিস্ট কর্মরত। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১০টি শয্যা রয়েছে। অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার জেলা এবং রাজ্যস্তরে জানালেও পরিস্থিতি বদলায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা বিবেক চন্দ্র সাহা বলেন, স্বাধীনতার কয়েক বছর পরেই এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী মিলিয়ে ১০ জনের বেশি কর্মী রয়েছেন হাসপাতালে। ১০ থেকে ১২টি গ্রামের মানুষ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু যাঁরা চিকিৎসা করে এলাকার সাধারণ মানুষকে বাঁচান, তাঁরাই প্রাণ হাতে নিয়ে কোয়ার্টারে বাস করছেন। প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকদের বাসস্থান স্থান ঠিক করা।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, ইতিমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে এই সমস্যার কথা জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক এবং নার্সদের বেশকয়েকটি কোয়ার্টারের অবস্থা খুব খারাপ। কিছুটা আমরা সারাই করেছি। ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। হরিশ্চন্দ্রপুর-২ এর বিডিও তাপস কুমার পাল বিষয়টি জেলায় জানানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ