নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কখনও চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখলের হুমকি, কখনও আবার বাংলা-বিহার-ওড়িশাকে অখণ্ড বাংলাদেশ বানানোর স্বপ্ন! উত্তর-পূর্ব ভারতের সাত রাজ্য বা সেভেন সিস্টারকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে যুদ্ধজিগির পর্যন্ত উঠেছে পদ্মাপারে। ডাক দেওয়া হয়েছে ভারতীয় পণ্য বয়কটের। কিন্তু দিন দিন বেড়ে চলা এই ‘ভারত বিরোধী জেহাদ’ স্রেফ মুখেই। আদতে ক্ষুধার্ত বাংলাদেশিদের মুখে দু’মুঠো ভাত জোটাতে আবার দিল্লির কাছে সস্তায় চাল ‘ভিক্ষা’ করতে হচ্ছে মহম্মদ ইউনুস সরকারকে! ঢাকার এহেন ‘দ্বিচারিতা’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হলেও, পড়শি রাষ্ট্রের বিপদের দিনে পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারত। ‘সস্তায়’ ভালো মানের ৫০ হাজার টন চাল বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারতীয় রপ্তানিকারক সংস্থা। গত নভেম্বরে একই পরিমাণ খাদ্যপণ্য ওপারে গিয়েছিল। সেই চাল পাঠানো হয়েছিল ৫৬ টাকা ৫৯ পয়সা কেজি দরে। এবার মিলবে আরও কম দামে, কেজি প্রতি ৫৪ টাকা ৮০ পয়সায়।
Advertisement
শেখ হাসিনা সরকারের পতন ইস্তক বাংলাদেশজুড়ে দাপাদাপি বেড়েছে মৌলবাদী শক্তি আর জঙ্গিদের। ঢাকাকে ফের নিজেদের ‘লঞ্চিং প্যাড’ বানিয়ে ফেলেছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। নব্য সখা ইসলামাবাদের কাছ থেকে ধার নিয়ে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করার মতো হুমকি নিত্য আসছে সীমান্তের ওপার থেকে। এতকিছু সত্ত্বেও প্রতিবেশীসুলভ আচরণ থেকে সরে আসেনি নয়াদিল্লি। মানবিকতার খাতিরেই সেই পদক্ষেপ। কারণ, চরম আর্থিক সঙ্কটে ভুগছে ইউনুস পরিচালিত বাংলাদেশ। মুদ্রাস্ফীতির হার হাসিনার আমল থেকে অনেক বেড়ে এখন ১১.৩৮ শতাংশে। তাল মিলিয়ে ১৩.৮ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতির হার।
তথ্য বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘নিয়ন্ত্রক’ কট্টরবাদীদের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে ‘ভারত বয়কট পর্বে’ বিস্তর খরচ করে পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে ঢাকাকে। বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার কমছে। শেখ হাসিনার আমলে কোভিড পর্বেও তাদের হাতে ৪৮০৬০ মিলিয়ন ডলার ছিল। তথাকথিত ‘জুলাই বিপ্লব’-এর পর তা ২৪৩৫০.২০ মিলিয়ন ডলারে এসে ঠেকেছে। টান পড়েছে মজুত খাদ্যভাণ্ডারেও। গত ১৭ ডিসেম্বর যে হিসেব সামনে এসেছে, তাতে গোটা পদ্মাপারে মাত্র ১১.৪৮ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। তার মধ্যে চাল ৭.৪২ লাখ টন। ভর্তুকি মূল্যে দেশের মানুষকে খাদ্যশস্য সরবরাহকারী ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তাই চরম ভারত বিরোধী জিগিরের মধ্যেও চাল চেয়ে সেই দিল্লির কাছে হাত পাততে হচ্ছে ঢাকাকে।
তবু ওপারে জেহাদ থামেনি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিম (এবিটি), জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং হিজবুত তাহির (হাট) হাত মিলিয়ে এপারে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছে বলে খবর পেয়েছেন গোয়েন্দারা। বিষয়টি নিয়ে সব পক্ষকে সতর্ক করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই পর্বে বাংলাদেশি জঙ্গিদের মূল টার্গেট—আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলা! এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। জলপথে হামলার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগরকে ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে কোস্টাল পুলিস, বিএসএফ এবং উপকূল রক্ষী বাহিনী।
তথ্য বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘নিয়ন্ত্রক’ কট্টরবাদীদের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে ‘ভারত বয়কট পর্বে’ বিস্তর খরচ করে পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে ঢাকাকে। বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার কমছে। শেখ হাসিনার আমলে কোভিড পর্বেও তাদের হাতে ৪৮০৬০ মিলিয়ন ডলার ছিল। তথাকথিত ‘জুলাই বিপ্লব’-এর পর তা ২৪৩৫০.২০ মিলিয়ন ডলারে এসে ঠেকেছে। টান পড়েছে মজুত খাদ্যভাণ্ডারেও। গত ১৭ ডিসেম্বর যে হিসেব সামনে এসেছে, তাতে গোটা পদ্মাপারে মাত্র ১১.৪৮ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। তার মধ্যে চাল ৭.৪২ লাখ টন। ভর্তুকি মূল্যে দেশের মানুষকে খাদ্যশস্য সরবরাহকারী ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তাই চরম ভারত বিরোধী জিগিরের মধ্যেও চাল চেয়ে সেই দিল্লির কাছে হাত পাততে হচ্ছে ঢাকাকে।
তবু ওপারে জেহাদ থামেনি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিম (এবিটি), জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং হিজবুত তাহির (হাট) হাত মিলিয়ে এপারে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছে বলে খবর পেয়েছেন গোয়েন্দারা। বিষয়টি নিয়ে সব পক্ষকে সতর্ক করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই পর্বে বাংলাদেশি জঙ্গিদের মূল টার্গেট—আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলা! এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। জলপথে হামলার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগরকে ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে কোস্টাল পুলিস, বিএসএফ এবং উপকূল রক্ষী বাহিনী।



