নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: জগৎবল্লভপুরের দুই গ্রামে গত দু’দিনে ফের একাধিক পূর্ণবয়স্ক হনুমানের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার চাষের মাঠ থেকে মোট পাঁচটি হনুমানের দেহ উদ্ধার হয়েছে। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে বনদপ্তর। দিনের পর দিন গ্রামের কিছু লোক ষড়যন্ত্র করে হনুমানগুলিকে মেরেছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের একাংশের।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বুধবার সকালে গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাটন দাসপাড়া গ্রামে চাষের মাঠ থেকে তিনটি পূর্ণবয়স্ক হনুমানকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার সকালে ফের পার্শ্ববর্তী গ্রাম শাপাড়া থেকে আরও দু’টি হনুমানের দেহ উদ্ধার হয়। সব মিলিয়ে গত এক মাসে এই এলাকা থেকে দশটিরও বেশি হনুমানের দেহ উদ্ধার হল। এদিন সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন বনদপ্তরের আধিকারিকরা। একের পর এক হনুমানের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দার ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের একাংশের। তাই এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বনদপ্তরের আধিকারিকদের আবেদন জানান তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা তথা পরিবেশকর্মী পরিতোষ দাস বলেন, ‘একই এলাকায় পরপর একাধিক হনুমানের মৃত্যুর ঘটনা মোটেই স্বাভাবিক নয়। শীতের প্রভাবে যে ওই প্রাণীগুলির মৃত্যু হয়েছে, তা কোনওভাবেই বলা যায় না।’
গোবিন্দপুর পঞ্চায়েতের বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে একদল হনুমান এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। চাষিরা মাঠে শীতকালীন সব্জি চাষ করছেন। সেই সব শাক-সব্জি খেয়ে খেত নষ্ট করছে হনুমানের দল। শুধু তাই নয়, তারা দল বেঁধে অনেক সময় ঘরেও ঢুকে পড়ছে। রান্নাঘরে গিয়ে খাবারদাবার, ফল, আনাজ নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। যাকে তাকে আঁচড়ে দিচ্ছে। শিশুরা যে কোনও সময় আক্রান্ত হতে পারে। বনদপ্তরের এব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। হাওড়া বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘গোটা জেলায় শুধু জগৎবল্লভপুরের একটি এলাকাতেই কেন হনুমানের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, বোঝা যাচ্ছে না। বিষয়টি উদ্বেগের। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে কারণ স্পষ্ট হবে।’ প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষে বাটন দাসপাড়া গ্রামেই শাবক সহ প্রায় সাতটি হনুমানের মৃত্যু হয়েছিল। মাঠের ফসল বাঁচানোর জন্য চাষিদের কেউ কেউ খাবারে বিষ মিশাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে বনদপ্তর।
গোবিন্দপুর পঞ্চায়েতের বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে একদল হনুমান এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। চাষিরা মাঠে শীতকালীন সব্জি চাষ করছেন। সেই সব শাক-সব্জি খেয়ে খেত নষ্ট করছে হনুমানের দল। শুধু তাই নয়, তারা দল বেঁধে অনেক সময় ঘরেও ঢুকে পড়ছে। রান্নাঘরে গিয়ে খাবারদাবার, ফল, আনাজ নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। যাকে তাকে আঁচড়ে দিচ্ছে। শিশুরা যে কোনও সময় আক্রান্ত হতে পারে। বনদপ্তরের এব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। হাওড়া বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘গোটা জেলায় শুধু জগৎবল্লভপুরের একটি এলাকাতেই কেন হনুমানের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, বোঝা যাচ্ছে না। বিষয়টি উদ্বেগের। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে কারণ স্পষ্ট হবে।’ প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষে বাটন দাসপাড়া গ্রামেই শাবক সহ প্রায় সাতটি হনুমানের মৃত্যু হয়েছিল। মাঠের ফসল বাঁচানোর জন্য চাষিদের কেউ কেউ খাবারে বিষ মিশাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে বনদপ্তর।



