নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বৈঠকের মধ্যেই পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের হাতে আক্রান্ত হলেন এক পঞ্চায়েত সদস্য। গত মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে জগৎবল্লভপুরের বড়গাছিয়া ১ নম্বর পঞ্চায়েতে। ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে মারধরের পাশাপাশি পঞ্চায়েত প্রধানকেও খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও গোটা ঘটনা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত উপপ্রধান। বুধবার পঞ্চায়েতের প্রধান জগৎবল্লভপুর থানায় উপপ্রধানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বড়গাছিয়া ১ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান পূজা হাজরা মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আর্থিক বিষয় নিয়ে এক বৈঠকে বসেন। উপপ্রধান মনজুর আলম মল্লিক শুরুতে বৈঠকে না থাকলেও তিনি খানিক বাদে যোগ দেন। অভিযোগ, পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকেই পঞ্চায়েত সদস্য শেখ শফিকুল ইসলামকে তিনি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন। তাঁকে বাধা দিতে গেলে পূজাদেবীকেও হুমকি দেন তিনি। সেই সময় শফিকুল সাহেবের মাথায় আচমকা বাইকের চাবির রিং দিয়ে জোরে মারেন উপপ্রধান। আঘাতের জেরে মাথা থেকে রক্ত বেরতে শুরু করে। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
পঞ্চায়েত প্রধান পূজা হাজরা বলেন, ‘উপপ্রধানের এলাকায় একটি উন্নয়নমূলক কাজের কথা ছিল। কিন্তু তিনি বারবার বাধা দেওয়ায় টেন্ডার ডাকলেও সেই কাজ করা যাচ্ছিল না। সেকারণে পঞ্চায়েত সদস্যদের একটি মিটিং ডেকেছিলাম। সেখানে আচমকা এক সদস্যকে মারধর করেন মনজুর। এমনকী, আমাকেও খুনের হুমকি দিয়েছেন তিনি। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।’ পঞ্চায়েত প্রধানের আরও অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই পঞ্চায়েত অফিসে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢোকেন উপপ্রধান। গত মঙ্গলবারের ঘটনার কথা পুলিসকে জানালে আমাকে গুলি করে খুনের হুমকি দেন তিনি। আতঙ্কে এদিন পঞ্চায়েত অফিসেই আসেননি প্রধান। ঘটনার কথা অস্বীকার করে অভিযুক্ত উপপ্রধান মনজুর আলম মল্লিক পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, ‘প্রধান ওই পঞ্চায়েত সদস্যের সঙ্গে যোগসাজশ করে আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতি করেছেন। এতে দলের নাম খারাপ হচ্ছে। আমি তারই প্রতিবাদ করেছিলাম। কাউকে খুনের হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ বিষয়টি নিয়ে জগৎবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রঞ্জন কুণ্ডু বলেন, ‘এই ধরনের বিশৃঙ্খলা কখনই কাম্য নয়। পুলিস তদন্ত করে দেখুক। তবে কেউ এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে তৃণমূল দলীয়ভাবে কড়া ব্যবস্থা নেবে।’
পঞ্চায়েত প্রধান পূজা হাজরা বলেন, ‘উপপ্রধানের এলাকায় একটি উন্নয়নমূলক কাজের কথা ছিল। কিন্তু তিনি বারবার বাধা দেওয়ায় টেন্ডার ডাকলেও সেই কাজ করা যাচ্ছিল না। সেকারণে পঞ্চায়েত সদস্যদের একটি মিটিং ডেকেছিলাম। সেখানে আচমকা এক সদস্যকে মারধর করেন মনজুর। এমনকী, আমাকেও খুনের হুমকি দিয়েছেন তিনি। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।’ পঞ্চায়েত প্রধানের আরও অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই পঞ্চায়েত অফিসে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢোকেন উপপ্রধান। গত মঙ্গলবারের ঘটনার কথা পুলিসকে জানালে আমাকে গুলি করে খুনের হুমকি দেন তিনি। আতঙ্কে এদিন পঞ্চায়েত অফিসেই আসেননি প্রধান। ঘটনার কথা অস্বীকার করে অভিযুক্ত উপপ্রধান মনজুর আলম মল্লিক পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, ‘প্রধান ওই পঞ্চায়েত সদস্যের সঙ্গে যোগসাজশ করে আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতি করেছেন। এতে দলের নাম খারাপ হচ্ছে। আমি তারই প্রতিবাদ করেছিলাম। কাউকে খুনের হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ বিষয়টি নিয়ে জগৎবল্লভপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রঞ্জন কুণ্ডু বলেন, ‘এই ধরনের বিশৃঙ্খলা কখনই কাম্য নয়। পুলিস তদন্ত করে দেখুক। তবে কেউ এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে তৃণমূল দলীয়ভাবে কড়া ব্যবস্থা নেবে।’



