নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: উত্তপ্ত বাংলাদেশে, সীমান্তপারের উত্তেজনার রেশ এপার বাংলাতেও। সীমান্ত পেরিয়ে দুষ্কৃতীরা অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠছে প্রতিনিয়ত। এই অবস্থায় জয়দেব কেঁদুলি মেলায় নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়াল আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেট। অজয় নদের ওই পারে বীরভূম জেলার জয়দেব। মেলার মূল অংশ সেখানে হলেও অপর পাড়ে রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিদবিহার পঞ্চায়েত। এপারে থেকে হাজার হাজার মানুষে মেলায় আসেন। সেইসব এলাকায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ওয়াচ টাওয়ার ও প্রচুর সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আকাশে চক্কর কাটবে ড্রোন। প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি গত বছরের তুলনায় পুলিসকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারিতে। সাদা পোশাকের পুলিসকর্মীর পাশাপাশি গোয়েন্দারাও তৎপর।
Advertisement
মেলা ঘিরে সবরকম প্রশাসনিক বন্দোবস্তও করা হয়েছে। মেলা চলাকালীন বিদবিহার পঞ্চায়েত অফিসও অজয় নদে তীরে স্থানান্তর করা হয়েছে। যাতে প্রশাসনিক কর্মী ও আধিকারিকদের অভাব না হয়। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যশিবির করা হচ্ছে। চিকিৎসকের পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে। এছাড়াও জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরকে পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। পার্কিংয়ের পাশাপাশি ইমার্জেন্সি এক্সিট গেট করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসিপি সুমন জয়সওয়াল বলেন, গতবারের চেয়ে নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ৫০টি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। দু’টি ওয়াচটাওয়ার থেকেও নজরদারি করা হচ্ছে। আরও বেশকিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অশান্ত বাংলাদেশ থেকে একের পর এক ভারত বিরোধী মন্তব্য ভেসে আসছে। কাঁটাতারের বেড়া লাগানোতেও বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। দু’দেশের মধ্যে চাপা উত্তেজনা রয়েছে। এই অবস্থায় নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম অবহেলা করতে নারাজ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। মকর সংক্রান্তিতে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় গঙ্গাসাগরে। জন সমাগমের নিরিখে তারপরই স্থান পায় জয়দেব কেঁদুলি মেলা। সাধক জয়দেবের স্মৃতিবিজড়িত অজয় নদের পাড়ে এই মেলায় এসে পুণ্যস্নান করেন ভক্তরা। হাজার হাজার ভক্তের ভিড় হওয়ায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে প্রশাসন। সোমবার থেকেই লাইন দিয়ে হাজার হাজার মানুষ জয়দেব অভিমুখে যাচ্ছেন। দুর্গাপুর স্টেশন থেকে ৮০টি বাস জয়দেব মেলার পর্যন্ত পুণ্যার্থীদের নিয়ে যাচ্ছে। শাসকদলের শ্রমিক সংগঠন ও বাসমালিক পক্ষ আলোচনা করে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিয়ে ভাড়া গত বছরের মতোই ৪০টাকা রেখেছে। দুর্গাপুর স্টেশনে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
কাঁকসার বিডিও পর্ণা দে বলেন, যানজট রুখতে বাস, চারচাকা ও দু’চাকা গাড়ির পার্কিং জোন আলাদা করা হয়েছে। পঞ্চায়েত অফিস অস্থায়ীভাবে নদীর পাড়ে স্থানান্তর করা হয়েছে। কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য বলেন, দলীয়ভাবেও মানুষজনকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।
এসিপি সুমন জয়সওয়াল বলেন, গতবারের চেয়ে নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ৫০টি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। দু’টি ওয়াচটাওয়ার থেকেও নজরদারি করা হচ্ছে। আরও বেশকিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অশান্ত বাংলাদেশ থেকে একের পর এক ভারত বিরোধী মন্তব্য ভেসে আসছে। কাঁটাতারের বেড়া লাগানোতেও বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। দু’দেশের মধ্যে চাপা উত্তেজনা রয়েছে। এই অবস্থায় নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম অবহেলা করতে নারাজ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। মকর সংক্রান্তিতে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় গঙ্গাসাগরে। জন সমাগমের নিরিখে তারপরই স্থান পায় জয়দেব কেঁদুলি মেলা। সাধক জয়দেবের স্মৃতিবিজড়িত অজয় নদের পাড়ে এই মেলায় এসে পুণ্যস্নান করেন ভক্তরা। হাজার হাজার ভক্তের ভিড় হওয়ায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে প্রশাসন। সোমবার থেকেই লাইন দিয়ে হাজার হাজার মানুষ জয়দেব অভিমুখে যাচ্ছেন। দুর্গাপুর স্টেশন থেকে ৮০টি বাস জয়দেব মেলার পর্যন্ত পুণ্যার্থীদের নিয়ে যাচ্ছে। শাসকদলের শ্রমিক সংগঠন ও বাসমালিক পক্ষ আলোচনা করে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিয়ে ভাড়া গত বছরের মতোই ৪০টাকা রেখেছে। দুর্গাপুর স্টেশনে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
কাঁকসার বিডিও পর্ণা দে বলেন, যানজট রুখতে বাস, চারচাকা ও দু’চাকা গাড়ির পার্কিং জোন আলাদা করা হয়েছে। পঞ্চায়েত অফিস অস্থায়ীভাবে নদীর পাড়ে স্থানান্তর করা হয়েছে। কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য বলেন, দলীয়ভাবেও মানুষজনকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।



