সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য সকলে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আটকে থাকছে। এতে মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থ বিকাশ সম্ভব নয়। তাই সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য পড়ুয়াদের বিভিন্ন দিকে সেরা হওয়ার পরামর্শ দিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।
Advertisement
প্রতিযোগিতার ক্রমবর্ধমান চাপ ও জটিল জীবনযাত্রায় যুবসমাজ নানা ধরনের মানসিক সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছে। এই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে গেলে যুবসমাজকে বিভিন্ন ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। মঙ্গলবার ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারি হেল্থ অ্যাসোসিয়েশন শিলিগুড়ি কলেজে মানসিক স্বাস্থ্যের সুষ্ঠু বিকাশের উপর একটি আলোচনা চক্রের আয়োজন করে। সেই আলোচনা চক্রের উদ্বোধন করেন মেয়র। শিলিগুড়ি কলেজ, মহিলা মহাবিদ্যালয় ও ঘোষপুকুর কলেজের ছাত্রছাত্রীরা আলোচনা সভায় অংশ নেন।
মেয়র বলেন, জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে সামাজিক অবস্থা। ছাত্রছাত্রীদের অদ্ভুত সমস্যার কথা শুনতে পাচ্ছি। সবাই সেরা হতে চায়। জীবনের অনেক দিক রয়েছে। সেবামূলক কাজের পাশাপাশি নানা ধরনের সৃষ্টিশীল কাজও রয়েছে। এরকম নানা দিকে সেরা হওয়ার প্রবণতা ছাত্রছাত্রীদের গড়ে তুলতে হবে। অভিভাবকরাও বাচ্চদের সময় দিতে পারছেন না। বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটিতে যুক্ত হতে হবে। ছাত্রছাত্রীর কী ভাবছে আর আমরা কতটা দিতে পারছি এটাও দেখতে হবে। মোবাইল কেন্দ্রিক জীবনযাত্রা মানসিক স্বাস্থ্যের সুষ্ঠু বিকাশ ব্যাহত করছে।
এদিনের আলোচনায় বিভিন্ন বক্তা উদ্বেগের সঙ্গে এই দিকটি তুলে ধরেন।
শিলিগুড়ি কলেজের অধ্যাপিকা বিদ্যাবতি আগরওয়াল বলেন, মোবাইল কেন্দ্রিক জীবনযাত্রায় আজকের ছাত্রসমাজ কথা বলা ভুলে গিয়েছে। আলোচনা, মতবিনিময় কিছুই হচ্ছে না। সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত থাকায় এক ভয়ঙ্কর চাপের মধ্যে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলছে ছাত্রসমাজ। মোবাইলের জগতের সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল খুঁজে পাচ্ছে না। প্রতিযোগিতার চাপে তখনই মানসিক অবসাদ থেকে নানা ধরনের জটিলতার শিকার হচ্ছে। এই বিপদ থেকে ছাত্রছাত্রীদের বের করে আনতে গেলে মোবাইল থেকে তাদের সরিয়ে আনতে হবে।
আয়োজক সংগঠনের কর্ণধার তরুণ মাইতি বলেন, মোবাইলের চাপে বহু ছাত্রছাত্রী ভয়ঙ্কর চাপ থেকে মানসিক অবসাদের শিকার হচ্ছে। এ থেকে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। গত একবছরে শিলিগুড়িতে ছ’জন পড়ুয়া এ কারণে আত্মহত্যা করেছে। তাই আমরা সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি।
মেয়র বলেন, জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে সামাজিক অবস্থা। ছাত্রছাত্রীদের অদ্ভুত সমস্যার কথা শুনতে পাচ্ছি। সবাই সেরা হতে চায়। জীবনের অনেক দিক রয়েছে। সেবামূলক কাজের পাশাপাশি নানা ধরনের সৃষ্টিশীল কাজও রয়েছে। এরকম নানা দিকে সেরা হওয়ার প্রবণতা ছাত্রছাত্রীদের গড়ে তুলতে হবে। অভিভাবকরাও বাচ্চদের সময় দিতে পারছেন না। বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটিতে যুক্ত হতে হবে। ছাত্রছাত্রীর কী ভাবছে আর আমরা কতটা দিতে পারছি এটাও দেখতে হবে। মোবাইল কেন্দ্রিক জীবনযাত্রা মানসিক স্বাস্থ্যের সুষ্ঠু বিকাশ ব্যাহত করছে।
এদিনের আলোচনায় বিভিন্ন বক্তা উদ্বেগের সঙ্গে এই দিকটি তুলে ধরেন।
শিলিগুড়ি কলেজের অধ্যাপিকা বিদ্যাবতি আগরওয়াল বলেন, মোবাইল কেন্দ্রিক জীবনযাত্রায় আজকের ছাত্রসমাজ কথা বলা ভুলে গিয়েছে। আলোচনা, মতবিনিময় কিছুই হচ্ছে না। সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত থাকায় এক ভয়ঙ্কর চাপের মধ্যে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলছে ছাত্রসমাজ। মোবাইলের জগতের সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল খুঁজে পাচ্ছে না। প্রতিযোগিতার চাপে তখনই মানসিক অবসাদ থেকে নানা ধরনের জটিলতার শিকার হচ্ছে। এই বিপদ থেকে ছাত্রছাত্রীদের বের করে আনতে গেলে মোবাইল থেকে তাদের সরিয়ে আনতে হবে।
আয়োজক সংগঠনের কর্ণধার তরুণ মাইতি বলেন, মোবাইলের চাপে বহু ছাত্রছাত্রী ভয়ঙ্কর চাপ থেকে মানসিক অবসাদের শিকার হচ্ছে। এ থেকে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। গত একবছরে শিলিগুড়িতে ছ’জন পড়ুয়া এ কারণে আত্মহত্যা করেছে। তাই আমরা সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি।



