নয়াদিল্লি: জঙ্গিদের লালনপালন বন্ধ করছে না পাকিস্তান। গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’ চলাকালীন বাহওয়ালপুরে জয়েশ-ই-মহম্মদের মারকাজ সুবহান আল্লাহ সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছিল ভারত। হামলার ১৫ মাসের মধ্যে পাঞ্জাব প্রদেশের এই জঙ্গি ঘাঁটি মেরামত করে ফেলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গম্বুজগুলি নতুন করে বানানো হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর হামলায় জঙ্গি ঘাঁটির সেন্ট্রাল হলে বড়ো গর্ত তৈরি হয়েছিল। সেগুলি ভরাট করে সম্পূর্ণ কাঠামোটি নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। এভাবেই সুকৌশলে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন মিটিয়ে ফেলেছে পাক জঙ্গি সংগঠনটি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই কাজের জন্য জয়েশকে বিভিন্ন কিস্তিতে নগদ ২৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি দিয়েছিল পাক প্রশাসন। শুধু সেন্ট্রাল হল পুনর্নির্মাণের জন্যই খরচ হয়েছে ১১ কোটি। মূল কমপ্লেক্স সংলগ্ন একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ভেঙে নতুন করে নির্মাণকাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে মাদ্রাসা আল-সাবির এবং জয়েশ কমান্ডরদের ব্যবহৃত আবাসিক কোয়ার্টার। এপ্রিল মাসে প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রে ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যানবাহন দেখা গিয়েছিল। পরের মাসেই দেখা যায়, গম্বুজের রং অনেক বেশি গাঢ় হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ সেখানে নতুন করে সিমেন্টের কাজ হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্র বলছে, কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। জয়েশ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হওয়ায় এই নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মহল। ভারতে জয়েশের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাহাওয়ালপুরের এই জঙ্গিঘাঁটি। পুলওয়ামায় হামলার নকশা এখানেই তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হয়।



