নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রেসিডেন্সি জেল থেকে মোবাইল উদ্ধারের ঘটনায় সাসপেন্ড হওয়া জেল সুপার নবীন কুজুরের মদত ছিল মোবাইল ঢোকানোয়। অনেকদিন ধরেই তিনি বেআইনি এই ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে এই তথ্য পাচ্ছে সিআইডি। এর বিনিময়ে তিনি কত টাকা রোজগার করেছিলেন তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। পাশাপাশি কোথায় কোথায় তার সম্পত্তি রয়েছে, তাই নিয়ে খোঁজখবর শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে জেলে মোবাইল উদ্ধারের ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। যে-সমস্ত সেল থেকে মোবাইল উদ্ধার হয় তাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় কেস রুজু হয়েছে। তদন্তে নেমে সিআইডি আধিকারিকরা জানতে পারছেন, জেলে বন্দিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি জানতেন সাসপেন্ড হওয়া জেল সুপার। তাঁর মদতেই জেলে মোবাইল ঢোকাচ্ছিল কারা দপ্তরের কর্মীদের একাংশ।
মোবাইল কীভাবে আসবে, কোথায় রাখা হবে তা ঠিক করতেন সুপারের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি। মোবাইল ব্যবহারের জন্য কারা কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগাযোগ করত বন্দিরা। সেই তালিকা তাঁরা জেল সুপার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দিতেন। সাসপেন্ড হওয়া জেল সুপার তাতে বেআইনিভাবে সম্মতি দিতেন বলে অভিযোগ। এর বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট বন্দিদের কাছ থেকে মোটা টাকা নেওয়া হত বলে জানা যাচ্ছে। এই টাকা চক্রের লোকজন ভাগ করে নিতেন বলে উঠে আসছে সিআইডি তদন্তে। এই টাকায় কোন কোন জায়গায় সম্পত্তি বা জমি কিনেছে এই চক্রের লোকজন, সেটাই জানার চেষ্টা চলছে।