


নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে ভারতে রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গেরস্থের রান্নাঘরে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ কতদিনে পূর্বের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে? এবিষয়ে প্রবীণ এক কর্তার বক্তব্য, ঘাটতির ধাক্কা সামলে বাড়িতে বাড়িতে এলপিজির জোগান নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট। তবে একইসঙ্গে ওই আধিকারিকের দাবি, গ্যাসের সরবরাহ-শৃঙ্খল আগের মতো স্বাভাবিক হতে তিন বছর বা তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। সরকারের তরফে প্রকাশ্যে গ্যাস সংকটের সত্যতা বিশেষ স্বীকার করা হচ্ছে না। যদিও এই ইস্যুতে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে অভ্যন্তরীণ
পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য
সামনে এসেছে ওই সরকারি কর্তার বয়ানে।
ইরান যুদ্ধে অস্থায়ীভাবে সংঘর্ষ বিরতি হলেও হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তা অব্যাহত। ভারতে এলপিজি আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই রুটের মাধ্যমে চলে। উপসাগরীয় দেশগুলিতে যুদ্ধের ধাক্কায় পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত
হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে। এই ইস্যুতে ওই
প্রবীণ সরকারি কর্তার বক্তব্য, ক্ষতিগ্রস্ত সরবরাহকারীদের কাছ থেকে যে তথ্য আসছে, তাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অন্তত তিন বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। ফলে এলপিজির জোগান স্বাভাবিক হতেও ততটাই সময় লেগে যেতে পারে। কারণ খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাপ্লাই ‘বন্ধ’ হয়ে গিয়েছে। তবে সরবরাহকারীরা ‘বন্ধ’ অর্থে ঠিক কী বোঝাতে চাইছে, তা সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট নয়। গোটা তৈলকূপই ধ্বংস, নাকি উৎপাদন বন্ধ— সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে সরবরাহকারীরাই বলছেন, অন্তত তিন বছর সময় লাগবে।