Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

ইসরোর শীর্ষপদে আইআইটি খড়্গপুরের আরও এক প্রাক্তনী

ইসরোর শীর্ষপদে আইআইটি খড়্গপুরের আরও এক প্রাক্তনী
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে ভি নারায়ণনের নাম ঘোষণার সঙ্গেই আরও একটি পালক জুড়ল আইআইটি খড়্গপুরের মুকুটে। রাজ্যের এই কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় কোনও প্রাক্তনী ইসরোর সর্বোচ্চ পদে বসলেন। ২০০১ সালে এই প্রতিষ্ঠান থেকেই এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি করেন নারায়ণন। এর আগে, ২০০৯ সালে ইসরোর চেয়ারম্যান পদে যোগ দেওয়া মহাকাশ বিজ্ঞানী কে রাধাকৃষ্ণণও ছিলেন আইআইটি খড়্গপুরের প্রাক্তনী। এই প্রতিষ্ঠান থেকে পিএইচডি করেন তিনিও। থিসিস ছিল মহাকাশ থেকে ভারতের পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির কৌশল এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
Advertisement
এস সোমনাথের উত্তরসূরি হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অ্যাপয়েন্টমেন্ট কমিটি ভারতীয় ‘রকেট ম্যান’ নারায়ণনের নাম চূড়ান্ত করেছে। মঙ্গলবারই জানানো হয়, ১৪ জানুয়ারি থেকে দু’বছরের দায়িত্বে থাকবেন তিনি। এই বিজ্ঞানী ইসরোরই লিক্যুইড প্রপালশন সিস্টেমস সেন্টারের অধিকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন। সেখানে রকেট এবং মহাকাশযানের জ্বালানি এবং প্রপালশন (তীব্র গতিতে জ্বালানি পুড়িয়ে সেই শক্তিতে বিপরীত দিকে যানকে পরিচালনা করা) নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের গবেষণা হয়। তরল, অর্ধ হিমায়িত (সেমি ক্রায়োজেনিক) এবং হিমায়িত (ক্রায়োজেনিক)—এই তিন ধরনের জ্বালানি নিয়েই গবেষণা চলে। প্রজেক্ট ডিরেক্টর হিসেবে সি২৫ ক্রায়োজেনিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ‘জিএসএলভি এমকে ৩’ লঞ্চ ভেহিকলকে একবারের চেষ্টাতেই মহাকাশে উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই প্রকল্পটি। এই ধরনের ক্রায়োজেনিক প্রপালশন সিস্টেম ভারত ছাড়া আর মাত্র পাঁচটি দেশের কাছেই রয়েছে।
চন্দ্রযান ২-এর হার্ড ল্যান্ডিংয়ের কারণ খুঁজতে এবং তার সমাধানে যে জাতীয় পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি হয়, তার চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। চন্দ্রযান ৩ সফল করতে তাঁদের পরামর্শের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এছাড়া ভারতের সৌরযান আদিত্য এল১ এবং মহাকাশে মানুষ পাঠানোর গগনযান প্রকল্পেও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে নারায়ণনের। মহাকাশ গবেষণা, স্পেস প্রপালশনের আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সংগঠনগুলির সদস্য পদেও রয়েছেন তিনি। 
সম্পর্কিত সংবাদ